আসছে শীত। আর শীতে বয়স্কদের তুলনায় ঠান্ডাজনিত রোগে শিশুরাই আক্রান্ত হয় বেশী। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ৫১ শয্যা বিশিষ্ট্য হাসপাতালে নেই কোন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। এ পদটি শূন্য রয়েছে প্রায় বছর হলো। ফলে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে হাজারো শিশু।
দু-তিন বছর আগেও বেশ সুনাম ছিল এ হাসপাতালের শিশু চিকিৎসা সেবার। সে সময় বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ মাহমুদুল হাসান। তিনি ঢাকার পিজি হাসপাতালে বদলি হয়ে যাওয়ায় এখন মুখ থুবরে পরে শিশুদেও চিকিৎসা। এর বেশ কিছদিন পর যোগদান করেন ডাঃ রিফাত। দু মাস থাকার পর উপরের প্রভাবশালী কোন এক মন্ত্রীর আত্মীয় হওয়ায় তিনি বদলি হয়ে চলে যান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের হাসপাতালে। সেই থেকে অদ্যবদি পর্যন্ত প্রায় বছর হলো নেই কোন শিশু বিশেষজ্ঞ।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন প্রায় এক থেকে দেড়’শ মা ও শিশু রোগী আসেন চিকিৎসা নিতে। আর এদের সাধারণ চিকিৎসা দিয়ে থাকে আইএমসিআই বিভাগ। হাসপতাল কর্তৃপক্ষ জানান, এই বিভাগে শিশুদের জটিল কোন রোগের সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না। সরেজমিনে গিয়ে তবুও দেখা যায় শিশুদের কোলে নিয়ে মায়েদের এক লম্বা সারি।
৫ মাস বয়সী কন্যা সন্তানের বাবা পৌরসভার চান্দশী গ্রামের কায়সার বলেন, এখানে শিশু ডাক্তার না থাকায় ১০ কি.মি. দূরে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে আমাদের সেবা নিতে হচ্ছে।
কথা হয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ১০ মাস বয়সী শিশু আয়েশা এর মা নারগিস আক্তারের সাথে। তিনি বলেন, সামান্য ঠান্ডা জনিত রোগের চিকিৎসাও সেবাও এখানে পাওয়া যাচ্ছে না।
হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অনেক ভোগান্তী যাচ্ছে মা ও শিশু রোগীদের। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে বার বারএকজন শিশু বিশেষজ্ঞের চাহিদা দিলেও পাওয়া যাচ্ছে না।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷