দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ-উল-আযহা। ঈদকে কেন্দ্র করে সারা দেশে সাজ সাজ রব। উৎসব মুখর আমেজ বিরাজ করছে দেশের আনাচে কানাচে। কোরবানির পশু সেই আনন্দ আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। এই ঈদে কোরবানির পশু থাকে মূল কেন্দ্র বিন্দুতে। বিভিন্ন এলাকার পশুর হাট থেকে ভেসে আসে মাইকিং।
প্রতি বছরের মতো এবারও দূরে থাকা প্রিয়জনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্য রাজধানী ছেড়ে নিজের শিকড়ের কাছে ছুটে যাচ্ছে মানুষ। সাধারণ মানুষের ঈদ যাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে ছাড়া হয়েছে বাস ও ট্রেনের অগ্রিম টিকেট। কাজের জন্য পরিবার থেকে দূরে থাকা মানুষ গুলো নাড়ির টানে ছুটে যায় বিশেষ দিনটি আরও স্মরণীয় করে রাখার জন্য। যাপিত জীবনের সকল সমস্যা উপেক্ষা করে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট সংগ্রহ করতে তারা কুন্ঠা বোধ করেনা। কারণ প্রিয়জনের হাসির মূল্য যে এর থেকে অনেক বেশি মূল্যবান। বাস ট্রেনের অগ্রিম টিকেট সংগ্রহে ভোগান্তি কমাতে অনলাইনেও টিকেট বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
টিকেট সংগ্রহ শেষে এবার তাড়া থাকে বাড়ি ফেরার। কর্মচঞ্চল ঢাকাকে অলস করে নাড়ির টানে ছুটে যায় সকল মানুষ। এই যাত্রাকে আরো নির্বিঘ্ন করতে প্রস্তুত মহাসড়কের ট্রাফিক পুলিশ। সাধারণত কোরবানি ঈদে সড়কের উপর চাপ একটু বেশি থাকে। কারণ বাড়ি ফেরা মানুষের সাথে যোগ হয় পশু আনা নেয়ার গাড়ি। দেশের নানা প্রান্ত থেকে সড়ক ও নৌ পথে কোরবানির পশু আনা নেয়ার কাজে ব্যস্ত থাকে বেপারী ও খামারিরা। সেজন্য মহাসড়কে গাড়ির সংখ্যা বেশি থাকবে কিন্তু কোনো জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হবে না বলে জানিয়েছেন হাইওয়ে ট্রাফিক পুলিশ। যাত্রীদের ঈদের সময় দীর্ঘক্ষণ যানজটে যেন বসে থাকতে না হয় এই জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু হাইওয়েকে চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে। এর ফলে যানজট নিরসনে অনেক বড় ভূমিকা রাখবে চার লেন হাইওয়ে।
ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করছে নিরাপত্তা বাহিনী, সড়ক ও পরিবহন অধিদফতর। ঠিক সময়ে বাড়ি গিয়ে ঈদের আনন্দ সবার সাথে ভাগাভাগি করবে সকলে। এটি নিশ্চিত করতে সচেষ্ট রয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।
