ঘাটাইলে চাঞ্চল্যকর কিশোর অটোবাইক চালক শাকিল খান হত্যার মূল হোতা হারুনকে ৬ মাসেও গ্রেফতার করতে পারেনি ঘাটাইল থানা পুলিশ। সে উপজেলার পাড়াকুশারিয়া গ্রামের করিম মিয়ার ছেলে।
জানা গেছে, কিশোর শাকিল অটোবাইক নিয়ে ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর নিজ বাড়ি কামার চালা থেকে বের হয়।
ঘটনার এক মাস পর সন্দিগ্ধ আসামি গৌরিস্বর গ্রামের দৌলত আলীর ছেলে শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে তার কাছ থেকে ভিকটিম শাকিলের ব্যবহৃত মোবাইল উদ্ধার করা হয়। পরে মোবাইলের সূত্র ধরে একে একে গ্রেফতার করা হয় নলমা গ্রামের মজিদের ছেলে আমির আলী, পাড়াকুশারিয়া গ্রামের আ. ছালামের ছেলে শাহআলম ও সিরাজ খানের ছেলে শফিক খান। স্থানীয় অটোবাইক ও সিএনজি চালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহআলমসহ ৫ যুবক সুপরিকল্পিতভাবে অটোবাইকসহ শাকিলকে অপহরণ করে মধুপুর শালগড়ের ভেতর নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ পুঁতে রাখে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঘাটাইল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আপেল মিয়া জানান, ঘটনার মূল আসামি হারুনকে ধরার চেষ্টা চলছে।
জানা গেছে, কিশোর শাকিল অটোবাইক নিয়ে ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর নিজ বাড়ি কামার চালা থেকে বের হয়।
ঘটনার এক মাস পর সন্দিগ্ধ আসামি গৌরিস্বর গ্রামের দৌলত আলীর ছেলে শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে তার কাছ থেকে ভিকটিম শাকিলের ব্যবহৃত মোবাইল উদ্ধার করা হয়। পরে মোবাইলের সূত্র ধরে একে একে গ্রেফতার করা হয় নলমা গ্রামের মজিদের ছেলে আমির আলী, পাড়াকুশারিয়া গ্রামের আ. ছালামের ছেলে শাহআলম ও সিরাজ খানের ছেলে শফিক খান। স্থানীয় অটোবাইক ও সিএনজি চালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহআলমসহ ৫ যুবক সুপরিকল্পিতভাবে অটোবাইকসহ শাকিলকে অপহরণ করে মধুপুর শালগড়ের ভেতর নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ পুঁতে রাখে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঘাটাইল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আপেল মিয়া জানান, ঘটনার মূল আসামি হারুনকে ধরার চেষ্টা চলছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷