টাঙ্গাইলের মধুপুরে এবার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন শত বছরের এক অন্ধ বৃদ্ধা। তার বাড়ি উপজেলার ফুলবাগচালা ইউনিয়নের আংগারিয়া গ্রামে। সে বয়সের ভারে অন্ধ হয়ে গেছে। চলাফেরাও ঠিকভাবে করতে পারে না। মঙ্গলবার (২১ মে) সন্ধ্যার পর বখাটে সোহেল মিয়া (১৪) ওই বৃদ্ধার ঘরে ঢুকে মুখ বেঁধে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষক সোহেল একই গ্রামের তোতা খা‘র ছেলে।
বৃদ্ধার ছেলে বাড়ি ফিরলে তার কাছে রোমহর্ষক সেই ঘটনার বর্ণনা যখন দিচ্ছিলেন তখনও বৃদ্ধা মা খুব করে কাঁদছিলেন। ঠিক মত কথাও বলতে পারছিলেন না। এ ঘটনায় ধর্ষিতার ছেলে দুদু মিয়া (৭৫) বাদী হয়ে বুধবার বিকালে মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে পুলিশ ধর্ষক সোহেল কে রাতে গ্রেপ্তার করেছে। জানা যায়, বয়সের ভারে ন্যুজ্ অন্ধ ওই বৃদ্ধা চলাফেরা করতে পারেন না। এ লোম হর্ষক ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বৃদ্ধা খুব কাঁদছিলেন। ঠিক মতো কথাও বলতে পারছিলেন না। বখাটে সোহেলকে বারবার বলছিলেন আমাকে ছেড়ে দাও। আমি আল্লাহ্ নবীর রোজা রাখছি। এই বয়সে যৌন নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে প্রায় মরার মতোই হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এখনো মুমূর্ষ অবস্থায় রয়েছেন। সম্মানের ভয়ে ভুক্তভোগি পরিবার তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালেও নেয়নি।
এ নিয়ে মঙ্গলবার ( ২১ মে) ফেইসবুকে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়। এমন ন্যক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এলকাবাসী। মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক কামালের নেতৃত্বে পুলিশের একিট দল বুধবার বিকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায়।
ওসি বলেন, ধর্ষিতা ওই বৃদ্ধার ছেলে বাদী হয়ে মধুপুর থানায় মামলা করেছেন। বুধবার রাতে ধর্ষক সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলায় বৃদ্ধার বয়স উল্লেখ করা হয়েছে ১৩০ বছর।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷