সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৯

ঘাটাইলে নিকাহ রেজিষ্টারের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ

খাদেমুল ইসলাম মামুন, ঘাটাইল: বাতিল হওয়া পদ ফিরে পেতে জাল কাগজ পত্র দাখিল করার অভিযোগ উঠেছে নিকাহ রেজিষ্টার (কাজী) শামছুল হকের (৫৭) বিরুদ্ধে।

অভিযোগে জানাগেছে, ঘাটাইলের রহমতপুর আইজি দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপার শামছুল হক। তিনি মধুপুর পৌর সভার স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে কাগজ পত্র দাখিল করে বিগত ২০০২ সালে নিকাহ রেজিস্টার(কাজী) পদে নিয়োগ পান।এ নিয়ে অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হয়।

তদন্তে তিনি মধুপুর পৌরসভা থেকে ৩৮ কি.মি.দুরে ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের রামদেবপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা বলে প্রমান হয়।পরে আইন মন্ত্রনালয়ের বিচার শাখার  সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাহমুদুল করিম স্বাক্ষরিত (স্মারক-৮৭৪)এক চিঠিতে তার লাইসেন্সটি বাতিল করে পদটি শূন্য ঘোষনা করেন। পরবর্তীতে ওই শূন্য পদে মধুপুর পৌরসভার ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডের নিকা রেজিস্টার মো. ফজলুল হককে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন জেলা রেজিস্ট্রার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শামছুল হক সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, আমার বাড়ি ঘাটাইল উপজেলায়। আমার বাড়ি থেকে মধুপুর দুরে থাকায় আমার লাইসেন্সটি বাতিল করা হয়। আমি উচ্চ আদালতে আবেদন করেছি, পদটি ফিরে পেলে আমি ঘাটাইলের সাগরদিঘী ইউনিয়নে আসব।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি ধলাপাড়া ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা। ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ড দিয়ে তিনি সাগরদিঘী ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা প্রমানের চেষ্টা করছেন বলে জানা যায়। তবে এ নিয়ে কোন কিছু বলতে রাজি হননি শামছুল হক।

জানতে চাইলে ঘাটাইলের সাবরেজিষ্টার একেএম রফিকুল ইসলাম সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, আমি শুনেছি তিনি ভুয়া জাতীয় পরিচয় পত্র কার্ড জমা  দিয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷