রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৯

ঘাটাইলে প্রশ্ন ফাঁসে প্রধান শিক্ষকের কারাদণ্ড

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পরীক্ষা শুরুর ২০ মিনিট আগেই কেন্দ্রের বাইরে ফটোষ্ট্যাটের দোকানে মিলল প্রশ্নপত্র। এ ঘটনায় কোচিং সেন্টারের মালিক, সাগরদীঘি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয়টির ঝাড়ুদারকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আল মামুন। শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) গণিত পরীক্ষার দিনে উপজেলার সাগরদিঘী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃত সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- উপজেলার সাগরদিঘী গ্রামের সঞ্জিত সাহার ছেলে কোচিং মাষ্টার শ্যামল বাবু (৪৫), সাগরদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হুমায়ূন খালিদ ভূইয়া ও বিদ্যালয়টির ঝাড়ুদার আব্দুর রহমান (৫৫)।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে টাঙ্গাইল জেলা থেকে পরীক্ষা পরিদর্শনে আসা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আল মামুন কেন্দ্রের পাশে রাকিব লাইব্রেরী থেকে প্রশ্নপত্রসহ হাতে নাতে কোচিং মাষ্টার শ্যামল বাবু (৪৫), সাগরদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের ঝাড়ুদার আব্দুর রহমানকে আটক করেন। পরে সাগরদীঘি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হুমায়ূন খালিদ ভূইয়াকেও আটক করা হয়। তাদেরকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আল মামুন এক মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন।

আটক সাগরদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের ঝাড়ুদার আব্দুর রহমান বলেন, পরীক্ষা শুরুর ১৫-২০ মিনিট আগে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবীর আমার হাতে প্রশ্নপত্র দিয়ে কেন্দ্রের বাহিরে রাকিব লাইব্রেরীতে নিয়ে যেতে বলেন। আমি তার কথামতো দোকানে দাঁড়িয়ে থাকা কোচিং মাষ্টার শ্যামল বাবুর কাছে প্রশ্নপত্রটি দেই। আমি তার (প্রধান শিক্ষক) অধীনে চাকরি করি। তিনি যা বলবেন আমারতো তাই করতে হয়। এ ঘটনায় আমার কোন দোষ নেই।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷