দেশীয় চিরতা হিসেবে সমধিক পরিচিত ও ‘বিকল্প কুইনাইন’ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত কালোমেঘ বণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হচ্ছে। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কৃষকরা এই ভেষজ গাছটির চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। ইউনানি আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল হিসেবেও এখন ঘাটাইলে কালোমোঘ ব্যবহার হচ্ছে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, কালোমেঘ জ্বর থেকে শুরু করে অজীন, যকৃতের গোলযোগসহ অনেক জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসায় কার্যকর ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) বর্ষজীবী বীরুৎ কালোমেঘের বৈজ্ঞানিক নাম এন্ড্রোগ্রাফিস প্যানিকুলাটা নিস উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের মতে একেনথেসী পরিবারভুক্ত কালোমেঘ গাছ আধামিটার থেকে এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। কান্ড শাখা-প্রশাখা চারকোণাকৃতি, নরম ও সবুজ। মরিচ পাতার সদৃশ কালোমেঘ পাতার অগ্রভাগ ও বোঁটার দিকে ক্রমশ সরু এবং বর্ণ গাঢ় সবুজ।
আবহাওয়াগত আনুকূল্যে বাংলাদেশের সর্বত্র কালোমেঘ জন্মে। বর্ষার শেষে পত্রকলা থেকে লম্বা পুষ্পদণ্ড বের হয় এবং এ পুষ্পদণ্ডে হালকা সাদার মাঝে বেগুনি ফোঁটাযুক্ত ১ সেন্টিমিটার লন্বা ফুলগুলো সাজানো থাকে । পরে লম্বালম্বিভাবে দুই অংশে ৪-৫টি করে মোট ৮-১০টি বীজ থাকে। পাকা বীজের রং হালকা খয়েরি। বর্ষার পর থেকে শীতকাল পর্যন্ত ফুল ও ফল হয়। সাধারণত জুন-জুলাই মাস চারা লাগানোর উপযুক্ত সময়। তবে পরিপক্ব বীজ মাটিতে পড়ে আপনা আপনি কালোমেঘ গাছ জন্মে। তুলনামূলকভাবে এটি ছায়াযুক্ত জায়গাতে বেশি জন্মায় বলে অন্য গাছের নিচে এবং সাথী ফসল হিসেবেও এর চাষ করা যায়। সামান্য মাটি খুঁড়ে বীজ বপন করলে ফলন বাড়ে।
কালোমেঘ অঞ্চলভেদে কল্পনাথ হিসেবেও পরিচিত। অনেকে অত্যধিক তেতো স্বাদের এ গাছ শুকিয়ে চিরতা বলে বিক্রি করে থাকে।
দু’যুগের ব্যবধানে ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কালোমেঘের বাণিজ্যিক চাষ শুরু হয়েছে। চাষিরা দিন দিন কালোমেঘ চাষের প্রয়োজনীয়তা অবগত হচ্ছেন।
সুপ্রাচীনকাল থেকে চিরতা ভারতবর্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ভারতবর্ষ চিরতার আদিনিবাস। বিশেষ করে হিমালয়ের পাদভূমিতে তার উৎপত্তি। সেখান থেকে ভারতের বিভিন্ন অংশে, নেপাল ও ভুটানে তা ছড়িয়ে পড়ে। ভারতবর্ষ থেকে ১৮৩৯ সালে চিরতা ইউরোপে প্রবেশ করে। প্রাচীন আয়ুর্বেদ ও চরক সংহিতায় এর উল্লেখ আছে। চিরতার আয়ুর্বেদিক নাম কিরাততিক্তা। চিরকালের তিতা গাছ বলে হয়তো বাংলায় এর নাম দেয়া হয়েছে চিরতা। কালোমেঘ গাছও তিতা। সে গাছের বাংলা নাম কালোমেঘ, ইংরেজী নামের অর্থ সবুজ চিরতা। তবে চিরতা ও সবুজ চিরতা আলাদা দুটি গাছ। এর বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজী নাম মোটামুটি একই। এ গাছের হিন্দি নাম চিরেইতা, ইংরেজী নাম চিরেত্তা Chitretta), পাঞ্জাবী নাম চিরেইতা, তামিল নাম নিলাভেম্বু, আরবী নাম কাসাবুজাজারেয়ী। এ গাছের সব অংশই রোগ নিরাময়ে ব্যবহার করা যায়। আয়ুর্বেদিক বৈশিষ্ট্যে চিরতার রসা বা স্বাদ তিতা, গুণ বা ধর্ম লঘু ও শুষ্ক, বীর্য ঠাণ্ডা, বিপাক কটু।
সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের গৌরিশ্বর ও কুশারিয়া গ্রামে প্রায় ১২ থেকে ১৫ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে কালোমেঘের চাষ করা হয়। এছাড়া এ ঔষধি গাছের চাষ হচ্ছে সন্ধানপুর, রসুলপুর, ধলাপাড়া ও দেওপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে।
কালমেঘ চাষের অগ্রপথিক চাষি গৌরিশ্বর গ্রামের হুরমুজ আলী (৫৫)। তিনি ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম যশোর থেকে পলিথিনে ভরে দুই তোলা পরিমাণে বীজ এনে বাড়ির পাশে ছিটিয়ে রাখেন। ভালো ফলন হলে বিষয়টি অন্যদের নজরে আসে। তার কাছ থেকে বীজ নিয়ে অন্যরাও এর চাষ শুরু করেন।
এ কালোমেঘের চাষ গ্রামের অনেকের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। হুরমুজ আলী আগে অন্যের বাড়িতে দিনমজুরের কাজ করতেন। বিভিন্ন গাছের ছাল বাকলের ব্যবসা করে কোনরকমে দিন চালাতো। সংসারে তখন নুন আনতে পানতা ফুরানোর মতো অবস্থা। এখন কালোমেঘ চাষ করে তার সংসারে সচ্ছলতা ফিরে এসেছে।
এ কালোমেঘ চাষে আলাদা কোন যত্ন নেয়ার প্রয়োজন হয় না। বাড়ির আঙিনা ও পতিত জমিতে বীজ ছিটিয়ে রাখলেই চলে। অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টিতে কোন সমস্যা হয় না। সাথী ফসল হিসেবে কোন রকম খরচ ছাড়াই প্রতি বিঘায় ১২ থেকে ১৫ মণ কালোমেঘ উৎপাদন করা হয়। যার বজারমূল্য মণপ্রতি চার হাজার টাকা। ভরা মওসুমে এ মূল্য দাঁড়ায় ১৪০০ থেকে ১৬০০ টাকা মণ।
কৃষকরা জানান, সাধারণত বৈশাখ মাসে এ বীজ বপন করা হয়। পরিপক্ব হয় কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাসে।
এ কালোমেঘ কেনার জন্য ঢাকার কাওরানবাজার থেকে মহাজনরা ঘাটাইলের গৌরিশ্বর ও কুশারিয়া গ্রামে আসেন।
গৌরিশ্বর গ্রামের হায়দার আলী, মজিবর রহমান; কুশারিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদ, নলমা গ্রামের রুস্তম আলী, মুসলিম উদ্দিন ও শাহেদ আলী এ কালোমেঘের আবাদ করে বছরে অতিরিক্ত ৪০-৫০ হাজার টাকা আয় করছেন।
বহুমাত্রিক ব্যবহার: চিরতার মতো তিতা স্বাদের কালোমেঘের পুরো গাছটিই। ঔষধি গুণে ভরা। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, কালোমেঘে রয়েছে রজন জাতীয় উপাদান কালোমেঘিন, তিক্ত কেলাসিত ডাইটারপেন ল্যাকটোন, ডাইটারপেন গ্লকোসাইড ডি অক্সিএন্ড্রোগাফোলয়েডস, ইপি জেনিল ইথার, অন্যান্য ফ্লাডোনয়েড ও ফেনলসহ বহু উপাদান। পাতায় রয়েছে বেট সিটোস্টেরল গ্লকোসাইড, প্যানিকোলাইড ইত্যাদি। মূলে রয়েছে এন্ডোগ্রাফিন ও প্যানিকোলিন আলপাসিটোস্টেরল ইত্যাদি।
বিদেশে কুইনাইনের বিকল্প হিসেবে কালোমেঘের ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে। আমাদের দেশে স্মরণাতীতকাল থেকেই লোকজ চিকিৎসা ক্ষেত্রে কালোমেঘ অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং গ্রাম্য কবিরাজ হাকীম ও হোমিওপ্যাথিক জিকিৎসকরা বিভিন্ন রোগ চিকিৎসায় এটি অনেক ব্যবহার করে থাকেন। বিশেষ করে যকৃতের বিভিন্ন রোগের অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য উপাদান হিসেবে কালোমেঘের ব্যবহার অনেক। এছাড়া কালোমেঘ রক্ত পরিষ্কার পাকস্থলীর শক্তির্বধক, রেচক, কৃমিনাশক, জ্বর ও পেটের যাবতীয় রোগ যেমন: অজীন, অতিসার বা উদরাময়, রক্ত আমাশায়, ঘা ও খোস-পাঁচড়া নিবারক।
সম্প্রতি প্রমাণ পাওয়া গেছে কলোমেঘ টাইফয়েড রোগেও এন্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।
মধুপুর কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সালেহ জানান, কালোমেঘ বা চিরতার মধ্যে বহু মূল্যবান ক্যাফেইন। প্যারাসিটামলসহ অর্ধশতাধিক এলোপ্যাথিক, হোমিওপ্যাথিক ও হারবাল ওষুধ তৈরিতে ক্যাফেইন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে।
তিনি আরও জানান, তার সংস্থা কালোমেঘ চাষিদের মধ্যে কারিগরি সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. মো. হযরত আলি জানান, বাণিজ্যিকভিত্তিতে কালোমেঘ চাষ একটি ভাল উদ্যোগ। চাষিদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
রোগ নিরাময়ে চিরতার সমস্ত গাছই ব্যবহার করা হয়। তবে এর শিকড় সবচেয়ে বেশি কার্যকর। চিরতা চর্ম রোগ ও জ্বর সারাতে এক ওস্তাদ গাছ। এছাড়াও হেপাটাইটিস, ডায়াবেটিস, ম্যালেরিয়া জ্বর, অ্যাজমা প্রভৃতি কঠিন অসুখের চিকিৎসাতেও চিরতা ব্যবহার করা হয়।
চিরতার উল্লেখযোগ্য কিছু ভেষজ গুণ ও ব্যবহার-
১. জ্বর সারায়
আকষ্মিক ঋতু পরিবর্তনে অনেকের জ্বর হয়, সেই সাথে সর্দি-কাশি বেড়ে যায়। এ অবস্থায় হাত-পা চিবোয় বা কামড়ায়। এ অবস্থা হলে ৫-১০ গ্রাম চিরতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ২ কাপ থাকতে নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। পরে তা ছেঁকে সকালে অর্ধেক ও বিকালে অর্ধেক খেতে হবে। কয়েকদিন খেলে জ্বরের এ ভাবটা চলে যাবে।
২. অ্যালার্জি সারায়
যাদের এলার্জি হয়ে শরীর চুলকায়, চুলকানোর জায়গাটা ফুলে লাল হয়ে যায়, ত্বক থাকা থাকা হয়ে ওঠে। তারা চিরতার শরণাপন্ন হয়ে ভালো থাকতে পারেন। অ্যালার্জি সারাতে চিরতার তিতা রস সাহায্য করতে পারে। আগের দিন রাতে শুকনো চিরতা ৪-৫ গ্রাম পরিমাণ এক গ্লাস (২৫০ মিলিলিটার) গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন ওটা ছেঁকে দিনের মধ্যে ২-৩ বারে খেতে হবে। সেই সাথে খাবারের দিকেও নজর দিতে হবে। যেসব খাবার খেলে অ্যালার্জি হয় সেসব খাবার খাওয়া যাবে না। বিশেষ করে পুঁইশাক, বেগুন, চিংড়ি মাছ, ইলিশ মাছ, হাঁসের ডিম ইত্যাদি খাওয়া উচিত হবে না।
৩. বমি কমায়
পিত্তজ্বরে অনেক সময় প্রচ- বমি হয়, বমিটা তিতা ও অল্প সবুজ রঙের বা সবুজাভ হলদে। বমি হলে পেটে কিছু থাকে না। সেই সাথে শরীওে দাহ সৃষ্টি হয়। এ অবস্থা সাধারণত শরৎকালে বেশি দেখা যায়। অখাদ্য খেলেও এরূপ হয়। এক্ষেত্রে ২ কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা একটু থেঁতো করে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ভিজারোর ২-৩ ঘন্টা পর ছেঁকে পানিটা অল্প অল্প করে খেতে হবে। এতে বমি থেমে যাবে।
৪. প্রবল হাঁপানির উপশম হয়
একজিমার সাথে যাদের হাঁপানি আছে অথবা অর্শের রক্ত পড়াব বন্ধ হওয়ায় হাঁপানি বেড়ে গেছে, অল্প ঠাণ্ডা লাগলে বা ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশি হয়ে হাঁপানির টানটা বেড়ে গেছে তারা আধা গ্রাম চিরতার গুঁড়ো ৩ ঘণ্টা অন্তর মধুসহ চেটে খাবেন। এতে ২-৩ দিনের মধ্যে প্রবল হাঁপানি কমে যাবে।
৫. কৃমি সারায়
কৃমি হলে পেটের উপরের অংশটা মোচড়ায়, ব্যথা করে। পেটে কৃমি হলে আধা গ্রাম চিরতার গুঁড়ো সকালে মধুসহ বা চিনি মিশিয়ে চেটে খাবেন। এরপর পানি খেতে পারেন। এতে কৃমির উপদ্রব চলে যাবে।
৬. চুলকানি সারায়
গায়ে চুলকানি হলে ২০ গ্রাম চিরতাতে অল্প পানি ছিটিয়ে বেঁটে বা ছেঁচে নিতে হবে। তারপর তা লোহার কড়াই বা তাওয়াতে ১০০ গ্রাম সরষের তেল দিয়ে জ্বাল দিয়ে হবে। সরষের তেল গরম হয়ে ফেনামুক্ত হলে তাতে চিরতা ছাড়তে হবে। ভালো করে ভাজা হলে নামিয়ে ছাঁকতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে চিরতা যেন পুড়ে না যায়। এই তেল চুলকানোর জায়গায় ঘষে অল্প অল্প করে মালিশ করলে দ্রুত চুলকানি সেরে যাবে।
৭. পচা ঘা সারে
ঘা হয়েছে অথচ কিছুতেই সারছে না। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে এক কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা ভিজিয়ে রেখে পরদিন সেই জল ছেঁকে পচা ঘা ধুয়ে দিলে ২-৪ দিনের মধ্যে ঘায়ের পচানি চলে যাবে ও দ্রুত শুকাবে।
৮. চুল ওঠা বন্ধ করে
কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না, অথচ রোজ মাথা থেকে প্রচুর চুল উঠছে। চুল উঠতে উঠতে ঘন কেশ পাতলা হয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে এক কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা ভিজিয়ে রেখে পরদিন সেই পানি ছেঁকে তা দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেললে চুল ওঠা কমবে। একদিন পর পর একদিন এভাবে চিরতার পানি দিয়ে মাথা ধুতে হবে। ৩-৪ বার এভাবে ধুতে পারলে চুল ওঠা অনেক কমে যাবে।
৯. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে
চিরতা নিয়মিতভাবে খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে বা কমে। চিরতা দেহে অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকে ত্বরান্বিত করে। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে শুকনো চিরতা ৪-৫ গ্রাম পরিমাণ এক গ্লাস (২৫০ মিলিলিটার) গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন ওটা ছেঁকে সকালে খালি পেটে খেতে হবে।
১০. রক্তশূণ্যতা কমায়
চিরতা দেহে রক্তকোষ গঠন করে। তাই চিরতা সেবনে রক্তশূন্যতা কমে যায়। এমনকি ঋতুস্রাব বা মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে তাও কমাতে পারে। কোথাও কেটে গেলে সে কাটা স্থানে চিরতার রস লাগিয়ে দিলে দ্রুত রক্ত পড়া বন্ধ হয়। অভ্যন্তরীন রক্তক্ষরণ, নাক দিয়ে রক্তপড়া এসবও চিরতা বন্ধ করতে পারে।
১১. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
চিরতার মধ্যে শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে দিতে পারে। এমনকি নিয়মিত চিরতা সেবনে ক্যানসার ও হৃদরোগে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷