বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৮

ঘাটাইলে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে সংশয়

দেশের অন্যান্য আসনের মতো টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের ভোটারদের মধ্যেও বইছে নির্বাচনী হাওয়া। নির্বাচনী আলোচনায় সরগরম অফিস-আদালত, হাটবাজার, যানবাহন, চায়ের দোকান, পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানসহ বিভিন্ন আড্ডাস্থল। ভোটারদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনার পাশাপাশি আছে শঙ্কা ও সংশয়। ভোটদানের পরিবেশ ভালো থাকবে কি না, কোনো সহিংসতা হবে কি না, ভোটাধিকার সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ করতে পারবেন কি না এ ধরনের নানা প্রশ্ন কাজ করছে ভোটারদের মনে।

এবার প্রথম ভোটার হয়েছেন ঘাটাইলের বাসিন্দা, ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী তানজিনা। ভোট দেওয়ার কোনো অভিজ্ঞতা নেই, আর তাই ভোট নিয়ে তাঁর কৌতূহলও বেশি। ভোট যাতে সুষ্ঠু হয়, নিরাপদে যাতে ভোট দিতে পারেন এবং সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব ব্যক্তি যেন সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হন এটাই তাঁর প্রত্যাশা। ঘাটাইল পৌর এলাকার আশিক বলেন, ‘আমি একজন নতুন ভোটার। সংশয়ে আছি জীবনের প্রথম ভোট দিতে পারব কি না। নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারলে যোগ্য ব্যক্তিকেই ভোট দেব।’

হামিদপুরের ব্যবসায়ী রেজাউল করিম বলেন, ‘গত সংসদ নির্বাচনে এ আসনে নির্বাচন হয়নি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হয়েছিল। তাই ভোট দিতে পারিনি। ভোট নিয়ে শঙ্কায় আছি। ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে এলাকার উন্নয়নে অবদান রাখবে এমন ব্যক্তিকেই ভোট দেব।’ ঘাটাইল পৌর এলাকার গৃহিণী মরিয়ম বেগম বলেন, ‘ভোট নিয়ে সবার মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা যেমন আছে তেমন সংশয়ও আছে। সবকিছুই নির্ভর করে সুষ্ঠু নির্বাচনের ওপর।’ 

কৃষক আরশেদ আলী বলেন, ‘এবার ভোট হবে কি না চিন্তায় আছি। ভোটকেন্দ্রে যেতে পারলে তো ভোট দেব।’ একই ধরনের কথা বলেন কাজলা গ্রামের মেহের আলী ও সাগরদীঘির একামত আলী। তাঁরা জানান, কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে যে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন করবে তাঁকেই ভোট দেবেন।

সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশন তথা স্থানীয় প্রশাসনকে অনুরোধ জানিয়েছেন এ আসনের ভোটাররা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷