মাথাব্যথায় নাজেহাল হননি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। অল্প-বিস্তর মাথাব্যথা নিয়ে দুশ্চিন্তা না থাকলেও ঘন ঘন মাথাব্যথা বা দীর্ঘ সময় ধরে মাথাব্যথা থেকে বড় কোনো অসুখও হতে পারে। তবে মাথাব্যথা হলেই ওষুধ খেয়ে নেয়া বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াটাও সব সময় কার্যকরী নয়। তাই ঘরোয়াভাবে মাথাব্যথা সারানোর উপায় জেনে নিন-
মাথাব্যথার কারণে কাজে মন দিতে না পারলে কিছু সময় বিরতি নিন। অন্তত আধঘণ্টা যদি কোনো অন্ধকার ঘরে একেবারে রিল্যাক্সড মুডে বা চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকতে পারেন, তাহলে উপকার পাবেন। এই সময়ে আপনার ঘাড়ে যেন বাড়তি প্রেশার না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
শরীর ডিহাইড্রেটেড হতে আরম্ভ করলেই কিন্তু মাথাব্যথার মাধ্যমে আপনাকে সিগন্যাল দিতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করুন। মাথাব্যথা একবার শুরু হয়ে গেলে কিন্তু খুব ঠান্ডা বা খুব গরম পানি খাবেন না, তাতে অস্বস্তি বাড়তে পারে।
মাথাব্যথা কমাতে অনেকেই কফি বা চায়ের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, সেটা উচিত নয়। এর ফলে সাময়িক আরাম হলেও পরে আবার ক্যাফেইনে অতিরিক্ত নির্ভরতা তৈরি হতে পারে। যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
টেনশন বা সাইনাসের ব্যথার ক্ষেত্রে মাসাজে আরাম পাবেন। এক্ষেত্রে মাসাজের বিশেষ কয়েকটি পদ্ধতি কাজে দিতে পারে। ঘাড়ের ব্যায়াম আর নির্দিষ্ট কিছু প্রাণায়ামও এই ধরনের ব্যথা কমাতে কার্যকর।
সাবান, ময়েশ্চরাইজার বা আপনার প্রিয় সুগন্ধির বোতলটিও হতে পারে আপনার মাথাব্যথার কারণ। তাই এগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করুন। গন্ধহীন প্রসাধনী ব্যবহার করতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷