বুধবার, আগস্ট ০৯, ২০১৭

ঘাটাইলে এক অমুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন!


ঘাটাইলে এক অমুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের। বুধবার বিকেলে উপজেলা দেওপাড়া ইউনিয়নস্থ শরাশাক গ্রামের তার নিজ বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। তার নাম ফজলুল করিম (৭০)। সে মৃত- আব্দুর রহমানের পুত্র।
যুদ্ধ কালিন কমান্ডার (মুক্তি বার্তা নং- ০১১৮০৪০১৪৪) মকবুল হোসেন জানান, সে কখনো মুক্তিযোদ্ধা ছিল না। সে মাইজ বাড়ি গ্রামের মৃত- মীর সামাদ (মুক্তি বার্তা নং- ০১১৮০৪০১৬০) নম্বরে ভাতা উত্তেলন করেছে। এর বিরোদ্ধে প্রাধানমন্ত্রী, মুক্তি যোদ্ধা ম›ন্ত্রনালয়, জামুুকা, ও কেন্দ্রিও কমান্ড কাউনসিলে এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া আছে। তিনি আরো বলেন, মহান মুক্তি যোদ্ধার সময় সে ধলাপাড়া স্কুলের শিক্ষকতা করেছেন। ঐ সময় স্থানীয় পিচ কমিটির সদস্য ছিল বলে জানিয়েছেন। মুক্তি যোদ্ধা শুকুমার সুত্র ধর বলেন, সে মুক্তি যোদ্ধা ছিল না। তবে যোদ্ধাহত মুক্তি যোদ্ধা মনজুর হোসেন তাকে চিনেন না বলে জানান। জানাযায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হলেও সরকারে তরফ থেকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ছাড়া ও পুলিশ সদস্য ছাড়া স্থানীয় কোন মুক্তি যোদ্ধা দাফনে উপস্থিত হন নি। জানতে চাইলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এনামুল হক বলেন,তিনি মুক্তিযোদ্ধা কিনা তা আমি সঠিক জানিনা। একেক জনে একেক কথা বলেছেন। তবে লাল মুক্তিবার্তাওপ্রধান মন্ত্রীর স্বাক্ষরিত একটি সনদ দেখেছি। তার ভাতা উত্তোলন বই পুলিশ চেক করেছেন বলে তিনি জানান। এ দিকে একজন অমুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায়। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা প্রেস ক্লাবে এসে নিন্দা, আপত্তি ও প্রতিবাদ জানায়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷