মোঃ আসাদুল ইসলাম, দেউলাবাড়ী (ঘাটাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) হস্তক্ষেপে একটি বাল্যবিবাহ বন্ধ হয়েছে। মেয়ে,মেয়ের নানী,মামা তিনজনকে পাঁচশত টাকা করে মোট এক হাজার পাঁচশত টাকা জরিমানা ও ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত মেয়েকে বিয়ে দেবে না বলে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। মেয়েটি (১৫) উপজেলার দেউলাবাড়ীর এম, কে, ডি, আর গণ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
স্থানীয়রা জানায়, এলাকার কিছু বখাটে ছাত্ররা মেয়েটিকে প্রায় প্রত্যেকদিন বিরক্ত এবং প্রেমের প্রস্তাব দেয়। তাই মেয়ের বাবা স্কুল শিক্ষক, স্থানীয় জনপ্রনিধিদের সাথে পরামর্শ করে মেয়েকে বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সাথে বাল্য বিবাহ আইনে যাতে বিয়ে বন্ধ না হয়, তাই কিছুদিন পূর্বে জেলা জজ কোর্ট থেকে এফিডেফিট করে মেয়ের বয়স (১৮) করে হয় এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেয়ের দুলাভাইয়ের সহযোগীতায় এফিডেফিট কপিটি নির্বাহী অফিসারের নিকট পৌছানো হয়। গত বৃহস্পতিবার উপজেলার মুখ্যগাংগাইর গ্রামের গোলাপ হোসেনস (৪০) এর মেয়ের সঙ্গে পার্শ্ববতী উপজেলার মোঃ সোলাইমান (২০) এর সঙ্গে বিয়ের দিন নির্ধারিত ছিল। ইউএনও আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন মেয়েদের বাড়িতে গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি জানতে পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে চলে যাই। মেয়েটির বয়স অনেক কম। তাই বাল্য বিয়ে বন্ধে বিবাহ এফিডেভিট কোন বাধা নয়।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) হস্তক্ষেপে একটি বাল্যবিবাহ বন্ধ হয়েছে। মেয়ে,মেয়ের নানী,মামা তিনজনকে পাঁচশত টাকা করে মোট এক হাজার পাঁচশত টাকা জরিমানা ও ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত মেয়েকে বিয়ে দেবে না বলে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। মেয়েটি (১৫) উপজেলার দেউলাবাড়ীর এম, কে, ডি, আর গণ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
স্থানীয়রা জানায়, এলাকার কিছু বখাটে ছাত্ররা মেয়েটিকে প্রায় প্রত্যেকদিন বিরক্ত এবং প্রেমের প্রস্তাব দেয়। তাই মেয়ের বাবা স্কুল শিক্ষক, স্থানীয় জনপ্রনিধিদের সাথে পরামর্শ করে মেয়েকে বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সাথে বাল্য বিবাহ আইনে যাতে বিয়ে বন্ধ না হয়, তাই কিছুদিন পূর্বে জেলা জজ কোর্ট থেকে এফিডেফিট করে মেয়ের বয়স (১৮) করে হয় এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেয়ের দুলাভাইয়ের সহযোগীতায় এফিডেফিট কপিটি নির্বাহী অফিসারের নিকট পৌছানো হয়। গত বৃহস্পতিবার উপজেলার মুখ্যগাংগাইর গ্রামের গোলাপ হোসেনস (৪০) এর মেয়ের সঙ্গে পার্শ্ববতী উপজেলার মোঃ সোলাইমান (২০) এর সঙ্গে বিয়ের দিন নির্ধারিত ছিল। ইউএনও আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন মেয়েদের বাড়িতে গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি জানতে পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে চলে যাই। মেয়েটির বয়স অনেক কম। তাই বাল্য বিয়ে বন্ধে বিবাহ এফিডেভিট কোন বাধা নয়।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷