টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের খাজনাগড়া ও সন্ধ্যানপুরে ২য় ও ৩য় শ্রেণির দুই শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে নির্যাতিতা শিশুদের পরিবার।
ধর্ষণের অভিযোগ বিষয়ে থানায় উপস্থিত হয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সরকারি নম্বরে ফোন দেয়া হলে পাওয়া যায়নি। সেসময়ে সাংবাদিককে লাঞ্চিত করে ঘাটাইল থানার বহিরাগত এক দালাল।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাহাড়িয়া অঞ্চল রসুলপুর ইউনিয়নের খাজনাগড়া গ্রামের নির্যাতিতা শিশুটি ছাগল আনার জন্য পার্শ্ববর্তী বাগানে গেলে ঘটনার শিকার হয়। প্রতিবেশী চার সন্তানের জনক নুর মোহাম্মদ(৫০) তাকে হাত পা বেঁধে পাশবিক নির্যাতন চালায়। পরে স্থানীয় এক মহিলা বাগানে হাত পা বাঁধা অবস্থায় তাকে দেখে বাড়িতে খবর দিলে শিশুটির মা তাকে প্রায় অজ্ঞান অবস্থায় বাড়িতে নিয়ে আসে।
এসময় শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক দিয়ে তাকে চিকিৎসা করানো হয়। পরে রোববার সকালে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনিত হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়ার পথে স্থানীয় প্রভাবশালীগণের চাপ ও বিচারের আশ্বাসে তা থেকে বিরত থেকে গ্রাম্য শালিসে বসে ভুক্তভোগী পরিবারটি।
অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ ঘটনার পর এলাকায় অবস্থান করলেও সাংবাদিক আসার খবরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এসময় তার বাড়ির কেউ কথা বলতে রাজি হয়নি।
রোববার আরেক ঘটনায় সন্ধ্যানপুর হউনিয়নের গুয়াইনগম্ভীর গ্রামের ৩য় শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রীকে একই গ্রামের দুই সন্তানের জনক সোহেল মিয়া নির্জনস্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
ঘটনা দু’টির জন্য এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷