সোহেল পারভেজ, ভ‚ঞাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা :
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সিংগুরিয়া দাখিল মাদরাসার ২০১৭ সালের দাখিল পরীক্ষার্থী শারমিন সুলতানার থেমে যাওয়া লেখা পড়া মাদরাসার সভাপতি লায়ন ইমদাদুল হকের সহযোগিতায় আবার বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় চালু হয়েছে। সিংগুরিয়া গ্রামের ভূমিহীন দীনমজুর সাইফুল ইসলামের ৪ সন্তানের সংসারে অভাব যেন নিত্য সঙ্গী । তার উপর ছেলে-মেয়েদের লেখা পড়া করানো তার পক্ষে কষ্টসাধ্য হলেও কোন রকমে চালিয়ে আসছিল তাদের লেখা পড়া । মেধাবী কন্যা শারমিন ক্লাশে দ্বিতীয় এবং টেস্ট পরীক্ষায়ও বিজ্ঞান বিভাগ থেকে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। সামনে তার দাখিল পরীক্ষা মোটা অঙ্কের টাকার প্রয়োজন ফরম ফিলাপের জন্য। দিশেহারা হয়ে পড়েন পিতা সাইফুল ইসলাম। চিন্তা ভাবনা করে দেখে তার পক্ষে ফরম ফিলাপের টাকা জোগাড় করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তারপর গত ১০ অক্টোবর ফরম ফিলাপের শেষ দিনে মাদরাসার শিক্ষানুরাগী সভাপতি লায়ন ইমদাদুল হক ঢাকায় অবস্থান করলেও জানতে পারেন বিষয়টা। সাথে সাথে তিনি লোক পাঠিয়ে দেন সাইফুলের বাড়িতে। তাকে ডাকিয়ে এনে মেয়ের ফরম ফিলাপের দায়িত্ব নেন সভাপতি নিজে। মেয়ের আবার লেখাপড়া চালু হচ্ছে ভেবে খুশিতে কেঁদে ফেলেন দীনমজুর পিতা সাইফুল। সিংগুরিয়া দাখিল মাদরাসা ও সিংগুরিয়া লোকের পাড়া স্যার আব্দুল হালিম গজনবী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী লায়ন ইমদাদুল হক গত বছর প্রায় অর্ধশতাধিক দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের এবং সিংগুরিয়া দাখিল মাদরাসার সকল ছাত্র-ছাত্রীদের নিজস্ব অর্থায়নে এস এস সি ও দাখিল পরীক্ষার ফরম ফিলাপ করিয়ে দিয়ে ও মাদরাসার কিছু সংস্কার কাজ করে এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। সিংগুরিয়া মাদরাসার সুপার মওলানা আবু বকর সিদ্দীক বলেন ইমদাদ স্যার এলাকার শিক্ষা বিস্তারে যে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছেন তা বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে এলাকাবাসীর জন্য। এব্যাপারে লায়ন ইমদাদুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে প্রচার বিমুখ এই শিক্ষানুরাগী টি নিউজকে বলেন, আমি যা করেছি বা করছি তা নিজের দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে সীমিত সাধ্যের মধ্যে করে যাচ্ছি। এলাকাবাসীর সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে আমি আমার এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে সামান্য ভূমিকা রাখতে চাই আর আমি এলাকার শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবো।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সিংগুরিয়া দাখিল মাদরাসার ২০১৭ সালের দাখিল পরীক্ষার্থী শারমিন সুলতানার থেমে যাওয়া লেখা পড়া মাদরাসার সভাপতি লায়ন ইমদাদুল হকের সহযোগিতায় আবার বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় চালু হয়েছে। সিংগুরিয়া গ্রামের ভূমিহীন দীনমজুর সাইফুল ইসলামের ৪ সন্তানের সংসারে অভাব যেন নিত্য সঙ্গী । তার উপর ছেলে-মেয়েদের লেখা পড়া করানো তার পক্ষে কষ্টসাধ্য হলেও কোন রকমে চালিয়ে আসছিল তাদের লেখা পড়া । মেধাবী কন্যা শারমিন ক্লাশে দ্বিতীয় এবং টেস্ট পরীক্ষায়ও বিজ্ঞান বিভাগ থেকে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। সামনে তার দাখিল পরীক্ষা মোটা অঙ্কের টাকার প্রয়োজন ফরম ফিলাপের জন্য। দিশেহারা হয়ে পড়েন পিতা সাইফুল ইসলাম। চিন্তা ভাবনা করে দেখে তার পক্ষে ফরম ফিলাপের টাকা জোগাড় করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তারপর গত ১০ অক্টোবর ফরম ফিলাপের শেষ দিনে মাদরাসার শিক্ষানুরাগী সভাপতি লায়ন ইমদাদুল হক ঢাকায় অবস্থান করলেও জানতে পারেন বিষয়টা। সাথে সাথে তিনি লোক পাঠিয়ে দেন সাইফুলের বাড়িতে। তাকে ডাকিয়ে এনে মেয়ের ফরম ফিলাপের দায়িত্ব নেন সভাপতি নিজে। মেয়ের আবার লেখাপড়া চালু হচ্ছে ভেবে খুশিতে কেঁদে ফেলেন দীনমজুর পিতা সাইফুল। সিংগুরিয়া দাখিল মাদরাসা ও সিংগুরিয়া লোকের পাড়া স্যার আব্দুল হালিম গজনবী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী লায়ন ইমদাদুল হক গত বছর প্রায় অর্ধশতাধিক দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের এবং সিংগুরিয়া দাখিল মাদরাসার সকল ছাত্র-ছাত্রীদের নিজস্ব অর্থায়নে এস এস সি ও দাখিল পরীক্ষার ফরম ফিলাপ করিয়ে দিয়ে ও মাদরাসার কিছু সংস্কার কাজ করে এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। সিংগুরিয়া মাদরাসার সুপার মওলানা আবু বকর সিদ্দীক বলেন ইমদাদ স্যার এলাকার শিক্ষা বিস্তারে যে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছেন তা বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে এলাকাবাসীর জন্য। এব্যাপারে লায়ন ইমদাদুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে প্রচার বিমুখ এই শিক্ষানুরাগী টি নিউজকে বলেন, আমি যা করেছি বা করছি তা নিজের দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে সীমিত সাধ্যের মধ্যে করে যাচ্ছি। এলাকাবাসীর সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে আমি আমার এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে সামান্য ভূমিকা রাখতে চাই আর আমি এলাকার শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবো।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷