রবিউল আলম বাদল, ঘাটাইল প্রতিনিধি ঃ
গত সোমবার দৈনিক মজলুমের কণ্ঠে ঘাটাইল ভূমি অফিসের দুর্নীতির সংবাদ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশের পর ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার হযরত আলী ও অফিস সহকারী হাবিবুর রহমানকে স্ট্যান্ড রিলিজ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মাহবুব হোসেন। সার্ভেয়ার হযরত আলীকে ভূয়াপুর উপজেলায় এবং হাবিবুর রহমানকে ধনবাড়ী উপজেলায় বদলী করা হয়েছে।
জানা যায় যাদের মাথাগোজার ঠাঁই বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা এইসব ভূমিহীন পরিবারকে গুচছ গ্রাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পুর্নবাসন করে আসছে। একই সঙ্গে তাদের জীবন মান উন্নয়নের লক্ষ্যে যে মুহুর্তে ভূমিহীনদের নামে খাসজমি বরাদ্দ দিয়া আসছেন। ঠিক সেই সময়ে ঘাটাইল ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার হযরত আলী, অফিস সহকারি হাবিবুর রহমান ও ইউনিয়ন তহশীলদার ফজলুল হক সরকারের পুর্নবাসন কার্যক্রমকে কুলষিত করে ভূমিহীনদের বন্দোবস্ত বাতিলের পায়তারা করে এবং মোটা টাকা ঘুষ গ্রহন করে ভূমিহীনদের জমি দখলদারদের ভোগ করার ব্যবস্থা করে দেন। তাছাড়া সরকারের আদেশ অমান্য করে জমির মালিকদের ফাঁদ পেতে বিভিন্ন কৌশলে লাখ টাকা লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এই সিন্ডিকেট বাহিনী। বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিক তিন মাসের অধিক সময় অনুসন্ধান করে গত সোমবার দৈনিক মজলুমের কণ্ঠে ঘাটাইল ভূমি অফিসের অনিয়মের সংবাদ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করলে বিষয়টি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় জেলা প্রশাসকের নজরে আসে। পূর্বেও এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকায় জেলা প্রশাসক মাহবুব হোসেন দুইজনকে স্ট্যান্ড রিলিজ করেন।
এ বিষয়ে ভূক্তভোগী ভূমিহীন পরিবারগুলো দুর্নীতিবাজ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ায়, সাংবাদিকের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অভিন্দন জানিয়েছেন। সেই সাথে তাদের দীর্ঘদিনের কাঙ্খিত বন্দোবস্ত জমি দখলমুক্ত করে বুঝিয়ে দেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার বলেন-দুইজনকে বদলী করা হয়েছে।
গত সোমবার দৈনিক মজলুমের কণ্ঠে ঘাটাইল ভূমি অফিসের দুর্নীতির সংবাদ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশের পর ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার হযরত আলী ও অফিস সহকারী হাবিবুর রহমানকে স্ট্যান্ড রিলিজ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মাহবুব হোসেন। সার্ভেয়ার হযরত আলীকে ভূয়াপুর উপজেলায় এবং হাবিবুর রহমানকে ধনবাড়ী উপজেলায় বদলী করা হয়েছে।
জানা যায় যাদের মাথাগোজার ঠাঁই বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা এইসব ভূমিহীন পরিবারকে গুচছ গ্রাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পুর্নবাসন করে আসছে। একই সঙ্গে তাদের জীবন মান উন্নয়নের লক্ষ্যে যে মুহুর্তে ভূমিহীনদের নামে খাসজমি বরাদ্দ দিয়া আসছেন। ঠিক সেই সময়ে ঘাটাইল ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার হযরত আলী, অফিস সহকারি হাবিবুর রহমান ও ইউনিয়ন তহশীলদার ফজলুল হক সরকারের পুর্নবাসন কার্যক্রমকে কুলষিত করে ভূমিহীনদের বন্দোবস্ত বাতিলের পায়তারা করে এবং মোটা টাকা ঘুষ গ্রহন করে ভূমিহীনদের জমি দখলদারদের ভোগ করার ব্যবস্থা করে দেন। তাছাড়া সরকারের আদেশ অমান্য করে জমির মালিকদের ফাঁদ পেতে বিভিন্ন কৌশলে লাখ টাকা লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এই সিন্ডিকেট বাহিনী। বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিক তিন মাসের অধিক সময় অনুসন্ধান করে গত সোমবার দৈনিক মজলুমের কণ্ঠে ঘাটাইল ভূমি অফিসের অনিয়মের সংবাদ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করলে বিষয়টি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় জেলা প্রশাসকের নজরে আসে। পূর্বেও এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকায় জেলা প্রশাসক মাহবুব হোসেন দুইজনকে স্ট্যান্ড রিলিজ করেন।
এ বিষয়ে ভূক্তভোগী ভূমিহীন পরিবারগুলো দুর্নীতিবাজ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ায়, সাংবাদিকের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অভিন্দন জানিয়েছেন। সেই সাথে তাদের দীর্ঘদিনের কাঙ্খিত বন্দোবস্ত জমি দখলমুক্ত করে বুঝিয়ে দেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার বলেন-দুইজনকে বদলী করা হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷