নিজস্ব প্রতিবেদক, আমাদের ঘাটাইল ঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ব্রাহ্মণশাসন মহিলা মহাবিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ কেন অবৈধ হবে না- নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুননাহার সহ গভর্নিং বর্ডির সকলকে ২০ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুননাহার এর বিরুদ্ধে কলেজ পরিচালনা পর্ষদ সদস্য আব্দুস ছালামের আনিত দুর্নীতি-অনিয়ম ও শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্যের এক অভিযোগে মঙ্গলবার টাঙ্গাইল হাকিমি আদালতের সহকারী জজ হায়দার আলী এর রায় দেন।
জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা কে উপেক্ষা করে তৎসময়ে কলেজ পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি মাসুদুর রহমানকে না জানিয়ে ভুয়া রেজুলেশনের মাধ্যমে ২৫ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য ১৯/১০/২০১৫ তারিখে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেন। দীর্ঘ ৫ মাস পরে গত শুক্রবার টাঙ্গাইল সরকারী সা’দত কলেজ করটিয়ায় এ নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ, বিগত ১১/১১/২০১৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে জারীকৃত ৯৪২নং স্মারকের পরিপত্রে ২২/১০/২০১৫ তারিখের পূর্বে গৃহিত নিয়োগ কার্যক্রম পূর্ব নিয়মে যথারীতি সম্পন্ন করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়। আবার ৩০/১২/২০১৫ তারিখে ১০৮১নং স্মারকের পরিপত্রে এসে গত ১১/১১/২০১৫ তারিখের ৯৪২নং স্মারকের পরিপত্রটি বাতিল করে দেয়। এতে করে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। অথচ সকল নিয়মনীতিকে উপেক্ষা করে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হয়। এদিকে নিয়োগ পরীক্ষার তিন দিনের মধ্যেও অজ্ঞাত কারনে চূড়ান্ত নিয়োগ তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে নিয়োগ পরীক্ষার পর থেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুন্নাহার বিনা কৈফিয়তে কলেজেও আসছে না বলে জানা যায়। এতে শিক্ষক কর্মচারীদের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা কে উপেক্ষা করে তৎসময়ে কলেজ পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি মাসুদুর রহমানকে না জানিয়ে ভুয়া রেজুলেশনের মাধ্যমে ২৫ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য ১৯/১০/২০১৫ তারিখে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেন। দীর্ঘ ৫ মাস পরে গত শুক্রবার টাঙ্গাইল সরকারী সা’দত কলেজ করটিয়ায় এ নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ, বিগত ১১/১১/২০১৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে জারীকৃত ৯৪২নং স্মারকের পরিপত্রে ২২/১০/২০১৫ তারিখের পূর্বে গৃহিত নিয়োগ কার্যক্রম পূর্ব নিয়মে যথারীতি সম্পন্ন করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়। আবার ৩০/১২/২০১৫ তারিখে ১০৮১নং স্মারকের পরিপত্রে এসে গত ১১/১১/২০১৫ তারিখের ৯৪২নং স্মারকের পরিপত্রটি বাতিল করে দেয়। এতে করে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। অথচ সকল নিয়মনীতিকে উপেক্ষা করে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হয়। এদিকে নিয়োগ পরীক্ষার তিন দিনের মধ্যেও অজ্ঞাত কারনে চূড়ান্ত নিয়োগ তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে নিয়োগ পরীক্ষার পর থেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুন্নাহার বিনা কৈফিয়তে কলেজেও আসছে না বলে জানা যায়। এতে শিক্ষক কর্মচারীদের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷