শনিবার, নভেম্বর ০৭, ২০১৫

যৌতুক না দেয়ায় স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা: স্বামী পলাতক

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় আনেহলা ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামে যৌতুকের কারনে স্ত্রী শিমু রাণীর (১৯) গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় স্বামী জগাই চন্দ্র দাস (২৫)। এ বিষয়ে মৃত শিমুর বাবা সুবরন চন্দ্র বর্মন বুধবার বাদী হয়ে ৭ জন কে আসামী করে ঘাটাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করেছেন।   মামলার বিবরণ ও বাবা সুবরন চন্দ্র বর্মন জানায় ঘাটাইল উপজেলা আনেহলা ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের অতুল চন্দ্র দাসের ছেলে জগাই চন্দ্র দাস (২৫) এর সাথে দুই বছর আগে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার গাবের গ্রামের সুবরন চন্দ্র বর্মনের মেয়ে শিমু রাণী কে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়েতে ছেলেকে ১ লক্ষ টাকা যৌতুক দেয়া হয়। তাতে সে ক্ষান্ত না হয়ে  বিয়ের পর থেকেই আরো যৌতুকের জন্য নানাভাবে নির্যাতন করত শিমু রাণীকে।   বিয়েতে দেড়ভরি স্বর্ণ দেয়ার কথা ছিল। মাঝে মধ্যে দেড়ভরি স্বর্ণের জন্য শিমুর সাথে মাঝে মধ্যেই  ঝগড়া করত। সম্প্রতি যৌতুকের টাকা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কথাকাটির এক পর্যায়ে শিমুর গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। মূমূর্ষ অবস্থায় প্রথমে তাকে টাংগাইল মেডিকেল হাসপাতালে ও পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়। আটদিন  মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে মঙ্গলবার শিমু রাণী মারা যায়। এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বাকীর করে বলেন নিহত শিমু রাণীর লাশ ঢাকা মেডিকেল থেকে এনে তার শ্বশুর বাড়ীতে দাহ করার জন্য নিয়ে যায়। পরে তার আত্মীয় স্বজন দাহ করতে না দিয়ে লাশ থানায় নিয়ে আসে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷