শুক্রবার, জুন ১৪, ২০১৯

সেই মসজিদের তালা খুলে দিয়েছে ঘাটাইলের প্রশাসন

কখনও শুধু ইমাম আবার কখনও দুই-তিনজন মুসল্লির নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে চলছে মসজিদের প্রতিদিনের কার্যক্রম। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার চরবকশিয়া গ্রামে মসজিদের মালিকানা দাবি করে তালা দেওয়ায় এ অবস্থা চলছে প্রায় দুই মাস ধরে। এ নিয়ে গত সোমবার অনলাইন এবং মঙ্গলবার প্রিন্ট ভার্সনে 'মালিকানা দাবি করে মসজিদে তালা' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে সমকাল। সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম উভয়পক্ষকে ডেকে তালা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। তালা খুলে দেওয়ার পরও নামাজে আসছেন না মুসল্লিরা।

বুধবার মাগরিবের নামাজের সময় হলেও আজান দিয়ে শুধু ইমামকে নামাজ আদায় করতে দেখা যায়। মূলত ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মসজিদটি নিজের দাবি করতে থাকে দুবাই প্রবাসী বেলাল এবং ভাই আব্দুস সালামের মাধ্যমে তালা ঝুলিয়ে দেয়। আর সে দ্বন্দ্ব ছড়িয়ে পড়ে পুরো সমাজে। বেলালরা ছয় ভাই। সবার ছোট বেলাল। ছয় ভাইয়ের পৈতৃক সম্পত্তি ১০ শতাংশ জমির ওপর নির্মাণ করা হয় মসজিদ। বড় দুই ভাই আবুল কাশেম ও আব্দুল বাছেদ জানান, আমরা তিন ভাই মসজিদের নামে জমি ওয়াকফ করে দিলেও অন্য তিনজন দেয়নি। মসজিদের জমি ওয়াকফ করার দরকার নেই- এমন ফতোয়া দিয়ে মালিকানা দাবি করা বেলাল অন্য ভাইদের মগজ ধোলাই করেন। কুয়েত সরকারের অর্থায়নে নির্মিত মসজিদের নকশাও পরিবর্তন করেন তিনি। তার মন মতো নকশা করেন। দুই মাস আগেও মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ১৫-২০ এবং জুমার নামাজে ৫০-৬০ জন লোক নামাজ আদায় করতেন।

উৎস : সমকাল।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷