বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১১, ২০১৯

অবৈধ অধ্যক্ষ: আটকে যাচ্ছ জিবিজি কলেজের পদসৃজন

চাকরির মেয়াদ ৬০ বছর পূর্ণ হওয়ার পরও অবৈধভাবে দায়িত্ব পালন করছেন টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার সদ্য সরকারিকৃত জি.বি.জি কলেজের অধ্যক্ষ মো. শামছুল আলম।  দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়,শিক্ষা বোর্ড এবং শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে কয়েকদফা চিঠি  দেয়া হলেও তিনি তা আমলে নেননি। তাই আটকে যাচ্ছে পদসৃজনের কাজ 

অধ্যক্ষ মো. শামছুল আলমের বয়স এমপিও ডাটাবেজ অনুযায়ী, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ জুন ৬০ বছর পূর্ণ হয়েছে। জনবল কাঠামো-২১০৮ এর ১১.৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘‘বয়স ৬০ বছর পূর্ণ হওয়ার পর কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান অথবার সহকারী প্রধান,শিক্ষক-কর্মচারীদের কোনা অবস্থাতেই পুন:নিয়োগ কিংবা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া যাবে না।’’ জনবল কাঠামো অনুযায়ী,  মো. শামছুল আলমের  বয়স ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ জুন ৬০ বছর পূর্ণ হওয়ায় অধ্যক্ষ পদে তার দায়িত্ব পালনের সুযোগ নেই।


জনবল কাঠামো-২০১৮ অনুযায়ী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের পারস্পারিক জ্যেষ্ঠতা ও অভিজ্ঞতা তাদের সংশ্লিষ্ট পদে প্রথম এমপিওভুক্তির তারিখ থেকে কার্যকর করা হবে। তবে এমপিওভুক্তি একই তারিখ হলে  জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে যোগদানের তারিখ বিবেচনা করা হবে। তবে  কোনো শিক্ষকের নিয়মিতকরণ হলে নিয়মতকরণের তারিখ থেকে  যোগদানের তারিখ হিসেবে গণ্য হবে। যোগদানের তারিখ একই হলে জন্মতারিখের ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ হবে।

শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে গতবছরের ১২ ডিসেম্বর অধ্যক্ষের দায়িত্বভার উপাধ্যক্ষ বা জেষ্ঠ্য কোনো শিক্ষকের কাছে হস্তান্তরের জন্য মো. শামছুল আলমকে চিঠি দেয়া হয়। অদ্যবধি তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি।

 ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে গত ১৩ ডিসেম্বর অধ্যক্ষ মো. শামছুল আলমকে কারণ দর্শানো নেটিশ দেয়া হয়। ওই নোটিশে ৫ কর্মদিবসের মধ্যে সঠিক ব্যাখাসহ বোর্ডের কলেজ পরিদর্শকের দপ্তরে জমা দিতে বলা হয়। ওই সময়ের মধ্যে শোকজের জবাব না দেয়ায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ড. মো. হারুন-অর-রশিদ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে জানানো হয়,কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব না পাওয়ায় কেন প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির অনুমোদন বাতিল করা হবে না তার সঠিক ব্যাখাসহ ৩ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে অধ্যক্ষ মো. শামছুল আলম বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে পুন:নিয়োগ দিয়োগ দিয়েছে। অধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকার বিষয়ে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছিল ঢাকা বোর্ড থেকে। সেটির জবাবও দিয়েছি।

তথ্যসূত্র : দৈনিক শিক্ষা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷