ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
বাংলাদেশ বিদুৎ উন্নয়ন বোর্ডের টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী সুরেশ চন্দ্র পালকে পিটিয়ে আহত করেছে ছাত্রলীগ নেতারা-কর্মীরা।
গতকাল বুধবার সকালে নির্বাহী প্রকৌশলীর নিজ কার্যালয়ে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী নিজে বাদী হয়ে জি.বি.জি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের জিএস রবিউল ইসলাম তমাল সহ ৭/৮ জনকে আসমী করে মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয় সূত্র ও মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, পৌরসভায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে পাশে ড্রেন নির্মানের কাজ চলছে। সে কারনে ঘাটাইল সদর জামে মসজিদের কাছে বিদুৎতের একটি খুটি সরানো নিয়ে ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান খানের সাথে নির্বাহী প্রকৌশলীর কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির জের ধরে গতকাল বুধবার সকালে ঘাটাইল জি.বি.জি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের জিএস ছাত্রলীগ নেতা রবিউল আলম তমালের নেতৃত্বে ৭/৮ জন নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে যায় এ সময় তিনি অফিসে ছিলেন। তারা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে । এক পর্যায়ে তারা সন্ত্রাসী কায়দায় নির্বাহী প্রকৌশলীকে কিল ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে এবং টেনে হিচড়ে তিন তলা থেকে নিচে নামিয়ে নিয়ে আসে। তার পরনের শার্ট ছিড়ে ফেলে এতে তিনি আহত হন।
নির্বাহী প্রকৌশলী সুরেশ চন্দ্র পাল মারপিটের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এসব সন্ত্রাসীরা ইতিপূর্বে তার কাছে চাদা দাবী করে আসছিল চাদা না দেয়ায় মেয়রের সাথে তার কথা কাটাকাটির বিষয়টি পুজি করে তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহীন জানান , ঘটনার পর পরই আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। আমারা অফিসার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে এ ঘটনার নিন্দা জানাই।
জিবিজি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের জিএস রবিউল ইসলাম তমাল জানান, নির্বাহী প্রকৌশলী উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু ও পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান খানের নির্দেশনা না মানায় একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।
থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলী মামলা দায়ের করেছেন। দ্রুতই আসামীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সামু বলেন, ছাত্রলীগ নামধারী এক দল সন্ত্রাসী এ ঘটনা ঘটিয়েছে যা মোটেই কাম্য নয় । এ সব ঘটনা দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। যা সরকারের জন্যও বিভ্রতকর।
বাংলাদেশ বিদুৎ উন্নয়ন বোর্ডের টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী সুরেশ চন্দ্র পালকে পিটিয়ে আহত করেছে ছাত্রলীগ নেতারা-কর্মীরা।
গতকাল বুধবার সকালে নির্বাহী প্রকৌশলীর নিজ কার্যালয়ে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী নিজে বাদী হয়ে জি.বি.জি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের জিএস রবিউল ইসলাম তমাল সহ ৭/৮ জনকে আসমী করে মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয় সূত্র ও মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, পৌরসভায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে পাশে ড্রেন নির্মানের কাজ চলছে। সে কারনে ঘাটাইল সদর জামে মসজিদের কাছে বিদুৎতের একটি খুটি সরানো নিয়ে ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান খানের সাথে নির্বাহী প্রকৌশলীর কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির জের ধরে গতকাল বুধবার সকালে ঘাটাইল জি.বি.জি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের জিএস ছাত্রলীগ নেতা রবিউল আলম তমালের নেতৃত্বে ৭/৮ জন নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে যায় এ সময় তিনি অফিসে ছিলেন। তারা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে । এক পর্যায়ে তারা সন্ত্রাসী কায়দায় নির্বাহী প্রকৌশলীকে কিল ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে এবং টেনে হিচড়ে তিন তলা থেকে নিচে নামিয়ে নিয়ে আসে। তার পরনের শার্ট ছিড়ে ফেলে এতে তিনি আহত হন।
নির্বাহী প্রকৌশলী সুরেশ চন্দ্র পাল মারপিটের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এসব সন্ত্রাসীরা ইতিপূর্বে তার কাছে চাদা দাবী করে আসছিল চাদা না দেয়ায় মেয়রের সাথে তার কথা কাটাকাটির বিষয়টি পুজি করে তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহীন জানান , ঘটনার পর পরই আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। আমারা অফিসার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে এ ঘটনার নিন্দা জানাই।
জিবিজি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের জিএস রবিউল ইসলাম তমাল জানান, নির্বাহী প্রকৌশলী উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু ও পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান খানের নির্দেশনা না মানায় একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।
থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলী মামলা দায়ের করেছেন। দ্রুতই আসামীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সামু বলেন, ছাত্রলীগ নামধারী এক দল সন্ত্রাসী এ ঘটনা ঘটিয়েছে যা মোটেই কাম্য নয় । এ সব ঘটনা দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। যা সরকারের জন্যও বিভ্রতকর।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷