রাধা কৃষ্ণের স্মুতি বিজড়িত গুপ্তবৃন্দাবন। কালের সাক্ষী সহস্র বয়সী কৃষ্ণচতমাল বৃক্ষকে ঘিরে প্রতি বছরই হয় অনুষ্ঠানের আয়োজন। জমায়েত হয় দেশী বিদেশী রাধাকৃষ্ণ ভক্তকুল।
যুগ যুগ ধরে চলে আসা ৮ প্রহর ব্যাপী তারকব্রক্ষ মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠানে শনিবার প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রানি সম্পাদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের ধলাপাড়া ইউনিয়নের গুপ্তবৃন্দাবন গ্রাম। এ গ্রামে রয়েছে সহ্রবয়সী একটি কৃষ্ণতমাল বৃক্ষ। কথিত আছে দ্বাপর যুগে শ্রী কৃষ্ণ অবতার হয়েছিলেন রাধাকে নিয়ে গুপ্তবৃন্দাবনের কৃষ্ণতমাল বৃক্ষ গোপনলীলায় মত্ত থাকতেন। এ কারনেই এ স্থানের নাম গুপ্তবৃন্দাবন হয়েছে বলে হিন্দুদের বিভিন্ন গ্রন্থে লিপিবব্ধ রয়েছে। রাধাকৃঞ্চের স্মৃতি বিজড়িত গুপ্তবৃন্দাবন গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা স্মৃতি চিহ্ন আজ আর নেই। কৃষ্ণতমাল বৃক্ষের একটু উত্তরে দীঘির মত দেখতে একটি স্থানে রয়েছে আন্বিক পাথর। কবছর আগে সে পাথরটি সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে।
হিন্দুধর্মালম্বীরা জানান, স্থান শেষে পাথরে দাড়িয়ে রাধাকৃষ্ণ শরীর শুকাতেন। কৃষ্ণতমাল বৃক্ষের গোড়ায় গ্রিল না থাকায় ভক্তদের দেয়া মানতের আগরবাতি ও মোমবাতির আগুনে গাছটি ক্ষতি হওয়ায় সম্ভাবনা রয়েছে। মন্দিরে রক্ষিত নিম কাঠের প্রাচীন শ্যাম, রায় ও মদন মোহন মূর্তিগুলো সংরক্ষন জরুরী হয়ে পড়েছে বলে জানান মন্দির সভাপতি মাখন চন্দ্র বর্মন।
তিনি আরও জানান, মন্দিরে চর্তুদিকে কোন বাইন্ডারী দেয়াল নেই। বাউন্ডারী দেয়াল হলে নিরাপতায় থাকতো মন্দিরটি। অপর দিকে সাগরদীঘি কবছর ধরে লীজ দেয়ায় তাতে হয় মৎস্য চাষ। দীঘির পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ভরাট হয়ে গেছে দীঘি। স্লান করার নেই কোন ঘাট। ২৫ মার্চ ৮ প্রহর ব্যাপী তারকব্রক্ষ মহানামযজ্ঞানুষ্ঠান শেষে ২৬ মার্চ মধুতৃঞ্চা ত্রয়োশী তিথিতে সাগরদীঘিতে বারুনী স্লানের মাধ্যমে শেষ অনুষ্ঠান।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷