ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
শখের তোলা নাকি ৮০ টাকা! এটা তো কথার কথা, শখের জন্য মানুষ যে কী করতে পারে, তার অসংখ্য উদাহরণ আমাদের আশপাশেই রয়েছে। নিজেদের কথা ভাবলেও বোঝা যায় শখের কোন কিছু পেতে বা করতে কী প্রচেষ্টাই না থাকে আমাদের! আর যাদের জীবনে টাকা-পয়সার কখনো অভাব নেই, তারা চাইলেই যে কোনো কিছু কিনে অথবা করে ফেলতে পারেন। তাদের শখের নমুনাটাও অন্য সবার থেকে আলাদা এবং মুখ হা করে দেওয়ার মতোই। আবার কেউ কেউ আছে যাদের নেই টাকা-পয়সা তবে তাদের নেই কোন শখের কমতি।
এ রকমই একজন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার আনেহলা ইউনিয়নের সিংগুরিয়া গ্রামের মো. আব্দুল বাকী ওরফে বাক্কু পাগলা। বয়স ৭০ ছাড়িয়ে গেলেও এখনও প্রতিনিয়ত কাজ করতে হয় মাঠে-ঘাটে। জমিজমা বলতে বাড়ির ভিটেই তার একমাত্র সম্ভল। তবুও তার যুবক বয়স থেকেই ইচ্ছে সে ঋণ করে হলেও প্রতিবছর একটি ষাড় গরু পালন করে বিশাল বড় করে কোরবানির ঈদের আগে হাটে বিক্রি করে দিবে। এবং তার সাথে একটি ছাগলও ফ্রি দিবে।
তার দেওয়া তথ্য মতে, সেই যুবক বয়স থেকে এ পর্যন্ত প্রতিবছর একটি করে ষাড় গরু কোরবানির ঈদের আগে অথবা পরে হাটে থেকে ক্রয় করে ৫০ থেকে ৮০হাজার টাকা দিয়ে। সে গরুকে এক বছর লালন পালন করে মোটাতাজা করে বিক্রির উপযোগী করে গড়ে তোলে। ঠিক প্রতিবছরের ন্যায় এবারও একটি গরু তিনি পালন করছেন। সে গরুটাকে এক নজর দেখার জন্য প্রতিদিন তাদের বাড়িতে আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শতশত উৎসুক জনতা এসে ভীড় জমায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আব্দুল বাকী ওরফে বাক্কু পাগলা তাদের বাড়িতে গরুকে খাওয়াচ্ছেন। তখন এ ব্যাপারে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, মানুষ হাট-বাজার থেকে গরু কিনে এনে তা লালন পালন করে। আবার সেটাকে বিক্রি করে কিছু লাভের আশায় তবে সেটা তিনি করেন না। সেই যুবক বয়স থেকে গরু পালন করতো তিনি গরু লড়াই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করার জন্য, কিন্তু এখন তো আর গরু লড়াই প্রতিযোগীতা দেওয়া হয় না তাই শখের কারনেই প্রতিবছর একটি করে গরু অনেক কষ্টে লালন পালন করে আসছেন তিনি।
তিনি জানান তার এই গরু টি গত বছর কোরবানির ঈদের এক সপ্তাহ আগে ৬২ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করেন। এপর্যন্ত তার জন্য ভূষি, খৈল, খড়, চালের খুদ ও অন্যান্য খরচসহ প্রায় ১লক্ষ টাকার মতো শুধু খরচই হয়েছে। প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল বাকী ওরফে বাক্কু পাগলা বলেন, যদি এখন গরুটি খরচের টাকার চেয়ে কমও বিক্রি হয় তাও কষ্ট পাবে না। তিনি আরো জানান গরুটির সাথে একটি ছাগল ও পালন করেন তিনি, যে গরুটা কিনবে তাকে ওই ছাগল ফ্রি দেওয়া হবে বলেও জানান।
শখের তোলা নাকি ৮০ টাকা! এটা তো কথার কথা, শখের জন্য মানুষ যে কী করতে পারে, তার অসংখ্য উদাহরণ আমাদের আশপাশেই রয়েছে। নিজেদের কথা ভাবলেও বোঝা যায় শখের কোন কিছু পেতে বা করতে কী প্রচেষ্টাই না থাকে আমাদের! আর যাদের জীবনে টাকা-পয়সার কখনো অভাব নেই, তারা চাইলেই যে কোনো কিছু কিনে অথবা করে ফেলতে পারেন। তাদের শখের নমুনাটাও অন্য সবার থেকে আলাদা এবং মুখ হা করে দেওয়ার মতোই। আবার কেউ কেউ আছে যাদের নেই টাকা-পয়সা তবে তাদের নেই কোন শখের কমতি।
এ রকমই একজন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার আনেহলা ইউনিয়নের সিংগুরিয়া গ্রামের মো. আব্দুল বাকী ওরফে বাক্কু পাগলা। বয়স ৭০ ছাড়িয়ে গেলেও এখনও প্রতিনিয়ত কাজ করতে হয় মাঠে-ঘাটে। জমিজমা বলতে বাড়ির ভিটেই তার একমাত্র সম্ভল। তবুও তার যুবক বয়স থেকেই ইচ্ছে সে ঋণ করে হলেও প্রতিবছর একটি ষাড় গরু পালন করে বিশাল বড় করে কোরবানির ঈদের আগে হাটে বিক্রি করে দিবে। এবং তার সাথে একটি ছাগলও ফ্রি দিবে।
তার দেওয়া তথ্য মতে, সেই যুবক বয়স থেকে এ পর্যন্ত প্রতিবছর একটি করে ষাড় গরু কোরবানির ঈদের আগে অথবা পরে হাটে থেকে ক্রয় করে ৫০ থেকে ৮০হাজার টাকা দিয়ে। সে গরুকে এক বছর লালন পালন করে মোটাতাজা করে বিক্রির উপযোগী করে গড়ে তোলে। ঠিক প্রতিবছরের ন্যায় এবারও একটি গরু তিনি পালন করছেন। সে গরুটাকে এক নজর দেখার জন্য প্রতিদিন তাদের বাড়িতে আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শতশত উৎসুক জনতা এসে ভীড় জমায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আব্দুল বাকী ওরফে বাক্কু পাগলা তাদের বাড়িতে গরুকে খাওয়াচ্ছেন। তখন এ ব্যাপারে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, মানুষ হাট-বাজার থেকে গরু কিনে এনে তা লালন পালন করে। আবার সেটাকে বিক্রি করে কিছু লাভের আশায় তবে সেটা তিনি করেন না। সেই যুবক বয়স থেকে গরু পালন করতো তিনি গরু লড়াই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করার জন্য, কিন্তু এখন তো আর গরু লড়াই প্রতিযোগীতা দেওয়া হয় না তাই শখের কারনেই প্রতিবছর একটি করে গরু অনেক কষ্টে লালন পালন করে আসছেন তিনি।
তিনি জানান তার এই গরু টি গত বছর কোরবানির ঈদের এক সপ্তাহ আগে ৬২ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করেন। এপর্যন্ত তার জন্য ভূষি, খৈল, খড়, চালের খুদ ও অন্যান্য খরচসহ প্রায় ১লক্ষ টাকার মতো শুধু খরচই হয়েছে। প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল বাকী ওরফে বাক্কু পাগলা বলেন, যদি এখন গরুটি খরচের টাকার চেয়ে কমও বিক্রি হয় তাও কষ্ট পাবে না। তিনি আরো জানান গরুটির সাথে একটি ছাগল ও পালন করেন তিনি, যে গরুটা কিনবে তাকে ওই ছাগল ফ্রি দেওয়া হবে বলেও জানান।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷