রবিউল আলম বাদল,
ঘাটাইল (টাঙ্গাইল)
ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বিদ্যুৎ অফিসে ব্যাপক দুর্নীতি আর সীমাহীন অব্যবস্থাপনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এই অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে মুখ থুবরে পড়েছে অফিসের কার্যক্রম। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি চক্রের হাতে বিদ্যুৎ বিভাগ মূলত জিম্বি হয়ে পড়েছে। ঘুষ না দিলে মেলেনা নতুন সংযোগ। পরিবর্তন হয়না ট্রান্সফরমারসহ তার ও খুঁটি। কাজ না করেই বরাদ্ধের টাকা করা হচ্ছে আত্মসাৎ। এ অবস্থায়ই চলছে ঘাটাইল বিদ্যুৎ অফিসের কার্যক্রম।
জানা যায়, ঘাটাইল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুরেশ চন্দ্র পালের সীমাহীন অব্যবস্থাপনায় ঘাটাইল বিদ্যুৎ অফিস এখন দুর্নীতির আখড়া। অনিয়মের শেষ নেই ঘাটাইল বিদ্যুৎ বিভাগে। মিথ্যা বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুত করে গ্রাহকদের করা হচ্ছে বিভিন্ন হয়রানী। টাকার বিনিময়ে দেয়া হচ্ছে অবৈধ কাজের বৈধতা। সিষ্টেম লস দেখাইয়া সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হচেছ। নির্বার্হী প্রকৌশলীর এইসব অনিয়মের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন ঘাটাইলের ২৪ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক ।
গ্রাহকের মিটার থেকে প্রকৌশলীর টেবিল পর্যন্ত সর্বক্ষেত্রেই চলে অনিয়ম। সম্প্রতি তার অনিয়ম ও দুনীতির বিরুদ্ধে সন্ধানপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও এবং অবরোধ করে রাখে। পরে মিছিল করে প্রকৌকশলীর অপসারণ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারে বিভিন্ন দফতরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
নির্বাহী প্রকৌশলী সুরেশ চন্দ্র পাল সকল সরকারী সুযোগ সুবিধা ভোগ করলেও অফিসের কর্তা হয়ে তিনি নিজেই অফিসের আইন মানেন না। সার্বক্ষনিক নিজ ষ্টেশনে থাকার কথা থাকলেও তিনি থাকেন ষ্টেশন থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে জেলা সদরে। তিনি নিয়মিত অফিসেও আসেন না এমন অভিযোগ রয়েছে। মাঝে মধ্যে দুপুর ১ টার পর অফিসে আসলেও ব্যস্ততা দেখাইয়া আবার চলে যান। । প্রকৌশলীর এইসব অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে উপজেলার বেরিবাইদের লিটন মিয়া ২০ জুন জেলা প্রশাসকের বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন।
প্রকৌশলীর অনিয়মের পাল্লা এতটাই ভারী যে ঘুষ না দিলে মেলে কারো নতুন সংযোগ, পরিবর্তন হয়না ট্রান্সফরমান সহ তার ও খুটি। ক্ষুদ্রকুটির শিল্পের নামে কোন মিল কারখান খুললে তাকে দিতে হয় মোটা টাকার সেলামী। লাইন অনুমোদন নিতে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পরিচালন ও সংরক্ষন সার্কেল (বিউবো) টাঙ্গাইলের নাম ভাঙ্গাইয়া প্রতি অনুমোদনে নেওয়া হয় ৪০ থেকে ১ লাখ টাকা। প্রতি এলটি খুটি স্থাপন করতে তাকে দিতে ১০/২০ হাজার টাকা, এসটি খুটি স্থাপন করতে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা, ট্রন্সফরমার স্থাপন করতে দিতে হয় ১ থেকে ৩ লাখ টাকা। সম্প্রতি জামুরিয়া ইউনিয়নের বীর ঘাটাইল গ্রামে আল করিম তালুকদারের কাছ থেকে কুটির শিল্পের অনুমোদন ও সংযোগ বাবদ প্রকৌশলী নেয় ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। তার কাছ থেকে ট্রান্সফরমার স্থাপন করার কথা বলে নেয় ৯০ হাজার টাকা, একই গ্রামের ওসমান ও হালিমের কাছ থেকে লাইন অনুমোদন ও ট্রান্সফরমার স্থাপন বাবদ নেয় ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। হরিপুর ইটভাটা ও লাকড়ির মিল থেকে নেয় ১২ লাখ টাকা। নজুনবাগ গ্রামের আলতাফ এর কাছ থেকে নেয় ২ লাখ টাকা। একাশি গ্রামে রবি টাওয়ারে বাঁেশর খুুটি দিয়ে তার ও ট্রান্সফরমার স্থাপন করে নেয় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এভাবে নির্বাহী প্রকৌশলী সুরেশ চন্দ্র পাল ঠিকাদারের মাধ্যমে জামুরিয়া ইউনিয়নে সংকরপুর, হেলনাপাড়া, পুংলি, হরিপুর, চাঁনতারা, লাউয়াগ্রাম,বীর খাগিয়ান, কাতরা এবং সন্ধানপুর ইউনিয়নের দেওজানা, ফকিরচালা, খুপিবাড়ী, ছামানের বাজার, নয়নচালা ও রসুলপুর ইউনিয়নের বাসাবাইদ, ঘোড়ারটিকরী, লাল মাটিয়া, বিলজলঙ্গি ও দিগর ইউনয়ের গুসা এবং দিগর গ্রামে নতুন সংযোগ ও ট্রান্সফরমার স্থাপন করে প্রায় এক কোটি টাকা ভাগাভাগি করে নেন বলে জানা যায়।
তিনি ঘাটাইল অফিসের যোগদানের পর থেকেই নামধারী একাধিক ঠিকাদারের সাথে হাত মিলিয়ে দর্ুীতিতে জড়িয়ে পড়েন । এই সব অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিষয়ে ঘাটাইল বিদ্যুত বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুরেশ চন্দ্র পালের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
জানা যায়, ঘাটাইল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুরেশ চন্দ্র পালের সীমাহীন অব্যবস্থাপনায় ঘাটাইল বিদ্যুৎ অফিস এখন দুর্নীতির আখড়া। অনিয়মের শেষ নেই ঘাটাইল বিদ্যুৎ বিভাগে। মিথ্যা বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুত করে গ্রাহকদের করা হচ্ছে বিভিন্ন হয়রানী। টাকার বিনিময়ে দেয়া হচ্ছে অবৈধ কাজের বৈধতা। সিষ্টেম লস দেখাইয়া সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হচেছ। নির্বার্হী প্রকৌশলীর এইসব অনিয়মের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন ঘাটাইলের ২৪ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক ।
গ্রাহকের মিটার থেকে প্রকৌশলীর টেবিল পর্যন্ত সর্বক্ষেত্রেই চলে অনিয়ম। সম্প্রতি তার অনিয়ম ও দুনীতির বিরুদ্ধে সন্ধানপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও এবং অবরোধ করে রাখে। পরে মিছিল করে প্রকৌকশলীর অপসারণ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারে বিভিন্ন দফতরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
নির্বাহী প্রকৌশলী সুরেশ চন্দ্র পাল সকল সরকারী সুযোগ সুবিধা ভোগ করলেও অফিসের কর্তা হয়ে তিনি নিজেই অফিসের আইন মানেন না। সার্বক্ষনিক নিজ ষ্টেশনে থাকার কথা থাকলেও তিনি থাকেন ষ্টেশন থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে জেলা সদরে। তিনি নিয়মিত অফিসেও আসেন না এমন অভিযোগ রয়েছে। মাঝে মধ্যে দুপুর ১ টার পর অফিসে আসলেও ব্যস্ততা দেখাইয়া আবার চলে যান। । প্রকৌশলীর এইসব অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে উপজেলার বেরিবাইদের লিটন মিয়া ২০ জুন জেলা প্রশাসকের বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন।
প্রকৌশলীর অনিয়মের পাল্লা এতটাই ভারী যে ঘুষ না দিলে মেলে কারো নতুন সংযোগ, পরিবর্তন হয়না ট্রান্সফরমান সহ তার ও খুটি। ক্ষুদ্রকুটির শিল্পের নামে কোন মিল কারখান খুললে তাকে দিতে হয় মোটা টাকার সেলামী। লাইন অনুমোদন নিতে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পরিচালন ও সংরক্ষন সার্কেল (বিউবো) টাঙ্গাইলের নাম ভাঙ্গাইয়া প্রতি অনুমোদনে নেওয়া হয় ৪০ থেকে ১ লাখ টাকা। প্রতি এলটি খুটি স্থাপন করতে তাকে দিতে ১০/২০ হাজার টাকা, এসটি খুটি স্থাপন করতে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা, ট্রন্সফরমার স্থাপন করতে দিতে হয় ১ থেকে ৩ লাখ টাকা। সম্প্রতি জামুরিয়া ইউনিয়নের বীর ঘাটাইল গ্রামে আল করিম তালুকদারের কাছ থেকে কুটির শিল্পের অনুমোদন ও সংযোগ বাবদ প্রকৌশলী নেয় ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। তার কাছ থেকে ট্রান্সফরমার স্থাপন করার কথা বলে নেয় ৯০ হাজার টাকা, একই গ্রামের ওসমান ও হালিমের কাছ থেকে লাইন অনুমোদন ও ট্রান্সফরমার স্থাপন বাবদ নেয় ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। হরিপুর ইটভাটা ও লাকড়ির মিল থেকে নেয় ১২ লাখ টাকা। নজুনবাগ গ্রামের আলতাফ এর কাছ থেকে নেয় ২ লাখ টাকা। একাশি গ্রামে রবি টাওয়ারে বাঁেশর খুুটি দিয়ে তার ও ট্রান্সফরমার স্থাপন করে নেয় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এভাবে নির্বাহী প্রকৌশলী সুরেশ চন্দ্র পাল ঠিকাদারের মাধ্যমে জামুরিয়া ইউনিয়নে সংকরপুর, হেলনাপাড়া, পুংলি, হরিপুর, চাঁনতারা, লাউয়াগ্রাম,বীর খাগিয়ান, কাতরা এবং সন্ধানপুর ইউনিয়নের দেওজানা, ফকিরচালা, খুপিবাড়ী, ছামানের বাজার, নয়নচালা ও রসুলপুর ইউনিয়নের বাসাবাইদ, ঘোড়ারটিকরী, লাল মাটিয়া, বিলজলঙ্গি ও দিগর ইউনয়ের গুসা এবং দিগর গ্রামে নতুন সংযোগ ও ট্রান্সফরমার স্থাপন করে প্রায় এক কোটি টাকা ভাগাভাগি করে নেন বলে জানা যায়।
তিনি ঘাটাইল অফিসের যোগদানের পর থেকেই নামধারী একাধিক ঠিকাদারের সাথে হাত মিলিয়ে দর্ুীতিতে জড়িয়ে পড়েন । এই সব অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিষয়ে ঘাটাইল বিদ্যুত বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুরেশ চন্দ্র পালের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷