মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১৬

ঘাটাইলে বিয়ের প্রলোভনে যুবতীকে ধর্ষণ ॥ ধর্ষক জেলহাজতে

ঘাটাইল সংবাদদাতাঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিয়ের প্রলোভনে যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক রাব্বীকে (২১) আটক করা হয়েছে। সে সরাবাড়ী গ্রামের শহিদের ছেলে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা (২১) বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় মামলা করেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) ঘাটাইল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কাশেম জানান, গত ৮ মাস আগে ঘাটাইলের মলাজানী গ্রামের নূরুল ইসলাম মেলেটারীর ছেলে রাজ্জাকের সাথে কোনাবাড়ী গ্রামের সুরুজ সিকদারের মেয়ের (২১) বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েকদিন পর স্বামী বিদেশ চলে যায়। এরপর ধর্ষিতার সাথে একদিন পরিচয় হয় রাব্বীর। পরে বিভিন্ন সময় ধর্ষক মোবাইলে ডেকে নিয়ে বিয়ের প্রলোভনে প্রতারণা মাধ্যমে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে দৈহিক সম্পর্কের কারণে মেয়েটির সদ্য বিবাহিত স্বামীকে ডিফোর্স দিয়ে বাবার বাড়ী চলে আসে।
ঘটনার দিন সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক সাড়ে ১১টায় ধর্ষিতা স্থানীয় হেকমতের বাড়ীর কাছে আসলে ধর্ষক রাব্বী প্রাইভেটকারে তুলে অনিক নগড় পার্কে নিয়ে যায়। সেখানে একটি রুম ভাড়া করে যুবতীকে ধর্ষণ করে। পরে খবর পেয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অনিক পার্কে গিয়ে ধর্ষক রাব্বীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
এ বিষয়ে অনিক পার্কের ম্যানেজার গোপাল বাবু বলেন, অবকাশ কাটানোর কথা বলে যুবক-যুবতী এখানে রুম ভাড়া করে। পরে জানতে পারলাম তারা অবৈধ কর্মকান্ডের জন্য এখানে এসেছে। ধর্ষিতা জানায়, এর আগেও এই পার্কে তিন দিন তাকে ধর্ষণ করা হয়। এছাড়াও ধনবাড়ী পার্কে একদিন ও ঘাটাইলের চান্দশী ধর্ষকের বন্ধুর বাড়ীতে নিয়ে তাকে আরো একদিন ধর্ষণ করে। ঘটনাটি এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ধর্ষককে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ধর্ষিতা তার মায়ের হেফাজতে রয়েছে। ঘাটাইল থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷