নিজস্ব প্রতিবেদক, আমাদের ঘাটাইল ঃ টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় অভিযুক্ত পুলিশের খাতায় পলাতক টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানার সাথে যোগাযোগ না রাখায় ঘাটাইল ব্রাক্ষ্মণশাসন মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি পদ থেকে বরখাস্ত হতে হলো আওয়ামী লীগ নেতা মাসুদুর রহমানকে।
জানা যায়, গত ৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুন্নাহারের আবেদনে এমপির ডিও লেটারে কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি থেকে সরিয়ে ঐ স্থলে মামুন খান নামে এমপি রানার এক ঘনিষ্ঠ জনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এর আদেশক্রমে কলেজ পরিদর্শক স্বাক্ষরিত ১৪/ক/স্বী/৯৯/১৮৬নং স্বারক পত্রের মাধ্যমে অবশিষ্ট সময়ের জন্য তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়।
কলেজের গর্ভনিং বডির সভাপতি মাসুদুর রহমান জানান, বিগত ৩০-০৮-১৪ তারিখে কলেজের লেখাপড়ার মান বাড়ানোর জন্য এলাকার সর্বস্তরের ব্যাক্তিবর্গের সমন্বয়ে সৎ, যোগ্য ও দক্ষ অধ্যক্ষ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এই সিদ্ধান্তকে পাশ কাটিয়ে তরিঘরি করে ভুয়া রেজুলেশন দেখিয়ে কলেজকে ডিগ্রি স্তরে উন্নিত করার নামে ১৮ জন শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা করেন। সেই মোতাবেগ বিধিবহিভুত ভাবে সভাপতিকে না জানিয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। এছাড়াও সভাপতিকে না জানিয়ে গোপনে তিনটি মিটিং করা হয়। অথচ গত ফেব্রুয়ারী মাসে তার স্বাক্ষরে বেতন উত্তোলনসহ নানা কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
এদিকে রহস্য জনক কারণে ঘাটাইল থেকে ৪০ কিলোমিটার দুরে করটিয়া সা’দত কলেজে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হয়। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ভারপাপ্ত অধ্যক্ষ বলেন, ১৮ জন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য কলেজে সে রকম জায়গা না থাকায় করটিয়াতে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষা সচ্ছতা ও বিধি মোতাবেগ হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
জানা যায়, গত ৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুন্নাহারের আবেদনে এমপির ডিও লেটারে কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি থেকে সরিয়ে ঐ স্থলে মামুন খান নামে এমপি রানার এক ঘনিষ্ঠ জনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এর আদেশক্রমে কলেজ পরিদর্শক স্বাক্ষরিত ১৪/ক/স্বী/৯৯/১৮৬নং স্বারক পত্রের মাধ্যমে অবশিষ্ট সময়ের জন্য তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়।
কলেজের গর্ভনিং বডির সভাপতি মাসুদুর রহমান জানান, বিগত ৩০-০৮-১৪ তারিখে কলেজের লেখাপড়ার মান বাড়ানোর জন্য এলাকার সর্বস্তরের ব্যাক্তিবর্গের সমন্বয়ে সৎ, যোগ্য ও দক্ষ অধ্যক্ষ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এই সিদ্ধান্তকে পাশ কাটিয়ে তরিঘরি করে ভুয়া রেজুলেশন দেখিয়ে কলেজকে ডিগ্রি স্তরে উন্নিত করার নামে ১৮ জন শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা করেন। সেই মোতাবেগ বিধিবহিভুত ভাবে সভাপতিকে না জানিয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। এছাড়াও সভাপতিকে না জানিয়ে গোপনে তিনটি মিটিং করা হয়। অথচ গত ফেব্রুয়ারী মাসে তার স্বাক্ষরে বেতন উত্তোলনসহ নানা কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
এদিকে রহস্য জনক কারণে ঘাটাইল থেকে ৪০ কিলোমিটার দুরে করটিয়া সা’দত কলেজে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হয়। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ভারপাপ্ত অধ্যক্ষ বলেন, ১৮ জন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য কলেজে সে রকম জায়গা না থাকায় করটিয়াতে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষা সচ্ছতা ও বিধি মোতাবেগ হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷