প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত আনুমানিক বারটার দিকে স্থানীয় সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা সমর্থিত নেতাকর্মীরা উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু ও জিবিজি কলেজের সাবেক ভিপি শহিদুজ্জামান খান এর বিলবোর্ড ভেঙ্গে ফেলে এবং ছাত্রলীগ নেতা আবিদ ও তমালের বাসায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে।
এ ঘটনার ত্রিশ মিনিট পর শহিদুল ইসলাম লেবু সমর্থকরা ৩ নং জামুরিয়া মডেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হেস্টিংস এর বাসায় ঢুকে টিনের রান্না ঘর ও বাসার জানালা ভাংচুর করে। বৃহস্পতিবার সকালে উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সকালবেলা টাংগাইল র্যাব-১২এর একটি দল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে লেবু গ্রুপের ৪ ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেফতার করে টাঙ্গাইল নিয়ে যায়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জিবিজ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক সহঃ ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আবু সাঈদ রুবেল(৩০), তার ছোট ভাই মোঃ সোহেল (১৮), মিতুল(২০) ও মনজু (২১)। এরা সবাই ছাত্রলীগের কর্মী। এ দিকে লেবু গ্রুপের ৪ কর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিকালে তারা একটি প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ করে । অপর দিকে সাংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা সমর্থকরা শহরে কলেজ মোড়ে জনসভা করার জন্য মাইকিং করেন ।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিকেল ৪.০০ টা থেকে ১৪৪ ধারা জারি করেন। ফলে শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে । র্যাব ও পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন অলি-গলিতে টহল দিচ্ছে।
১৪৪ ধারা সর্ম্পকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আছমা আরা বেগম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য বিকেল থেকে রাত ১২.০০ টা পর্যন্ত সকল প্রকার সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানার ওসি মোঃ কামাল হোসেন জানান, পরিস্থিতি মোকাবেলায় পর্যাপ্ত আইন শৃংখরা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷