নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
জামালপুরের বকশীগঞ্জে মুসলিম নগর দরবার শরীফের মহা পবিত্র উরস আগামী ১৭ ও ১৮ ফেব্র“য়ারী সাধুরপাড়া মুসলিম নগর দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত হবে।
দুই দিনব্যাপী ওরস উপলে দেশ-বিদেশের লাখ লাখ ভক্তের পদভারে মুখরিত হবে বিশ্ব মুসলিম নগর দরবার শরীফ। রাসুল (সা.) এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আল্লাহর নৈকট্যলাভের আশায় ইবাদত বন্দেগিতে খাদেমুল খাজা বাবা শাহ আছির উদ্দিনের লাখো ভক্তের মিলনমেলা বসবে।
হজ্ব ও বিশ্ব ইজতেমার পরে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এ ধর্মীয় মহাসম্মিলনকে সফল করতে আশেকান ও জাকেরানরা সমবেত হন দরবার শরীফে। এ মহা মিলনমেলায় সত্য ইসলামের উদার নৈতিক মানবিক মূল্যবোধের আদর্শে উজ্জীবিত হন সমবেত ভক্তরা। প্রতি বছরের মতো হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য আলাদা ক্যাম্প থাকবে।
ওরস চলাকালে ওয়াক্তিয়া নামাজের সঙ্গে নফল ইবাদত বন্দেগি, কোরআন তেলাওয়াত, মোরাকাবা মোশাহেদা, জেকের আসকার, মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মুনাজাত, রাসুলে পাক (সা.) ও ওলি-আউলিয়াদের আদর্শের ওপর ওয়াজ নসিহত অনুষ্ঠিত হয়।
শাহানশাহে তরিকত হযরত মাওলানা খাদেমুল খাজা বাবা শাহ আছির উদ্দিন খন্দকারের ছেলে হযরত মাওলানা কারী মুসা খন্দকার আগতদের সাাৎ ও নসিহত দান করেন। বিশ্বওলির পবিত্র রওজা জিয়ারত ও দেশ ও মুসলিম উম্মাহের শান্তি কামনায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে এ মহা মিলনমেলা ভাঙ্গে।
পীরজাদা হযরত মাওলানা কারী মুসা খন্দকার বলেন, বিশ্বব্যাপী ঘনায়মান মানবিক সংকটের প্রোপটে বিশ্বওলি কেবলাজানের এবারের বিশ্ব ওরস শরীফ অত্যন্ত গুরুত্ববহ। আল্লাহতায়ালার অফুরন্ত নেয়ামতে পরিপূর্ণ এ মহা মিলনমেলা বিশ্বব্যাপী শান্তি, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের মর্মবাণীই ছড়াবে। হিংসা, হানাহানি, দ্বন্দ্ব, সংঘাতের বিপরীতে শুভ জ্ঞান, শুভ বুদ্ধি ও শুভ চেতনাকে জাগ্রত করে সকলকে শ্বাশ্বত শান্তির ছায়াতলে সমবেত হওয়ার পথ দেখাবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷