নিজস্ব প্রতিবেদক । আপডেট: ১২:০০ পিএম, তারিখ: ০৬ ডিসেম্বর ২০১৫ইং, রবিবার, সর্বশেষ সম্পাদনা ০৩:৩১ পিএম
গত শনিবার ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের সাগরদিঘী গ্রামে এক কিশোরীকে গণধর্ষনের অভিযোগে ৩ জন যুবক কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-হাফিজুর রহমান (১৯), পিতা-নজরুল ইসলাম বাড়ি মুক্তাগাছা থানা কাঠবাউলা গ্রাম। সোহেল (২৫), পিতা-জলিল মেকার, উজ্জল মিয়া(২৩), পিতা-মোতালেব হোসেন, তাদের উভয়ের বাড়ি সাগরদিঘী জালালপুর গ্রামে। রবিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত ৩ যুবক কে টাংগাইল জেল হাজতে প্রেরন করেছে।
পুলিশ ও ঐ মেয়েটি জানায় ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নে আশারিয়াচালা গ্রামের কিশোরী ঘাটাইল কলেজ মোড় থেকে নানার বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিলে কলেজ মোড়ে সাগরদিঘী বাসের হেলপার মোঃ হাফিজুরের সাথে পরিচয় হয়। তিনি ঐ মেয়েকে তার নানার বাড়ি পৌছে দেওয়ার কথা বলে সাগরদিঘী কাইলার মা নামে এক মহিলার কাছে নিয়ে যায়। সেখানে ঐ মহিলা কৌশলে ৮ জন যুবকের কাছে পাঠিয়ে দেয়। প্রথমে তারা পার্শ্ববর্তী থানা সখিপুর নিয়ে ধর্ষন করে। ঐ দিনই সেখান থেকে নিয়ে এসে হেলাল মেম্বারের ছেলে মজনু মিয়ার সাগরদিঘী বাজারে অবস্থিত নিজ বাসায় ঐ মেয়ে আটকে রেখে ৪ দিন পালাক্রমে ধর্ষন করে। এ সময় মেয়েটি চলে যেতে চাইলে তার মায়ের হাতে তুলে দিবে বলে ঐ যুবকরা তাকে জানায়। এ সময় কোন প্রকার উপায়ন্তর না দেখে মেয়েটির চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে পুলিশকে খবর পর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩ জন কে আটক করে। পরবর্তীতে রবিবার সকালে ঐ মেয়ে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হাফিজুর রহমান (১৯), পিতা-নজরুল ইসলাম, মজনু মিয়া-(২৬) পিতা-মৃত-হেলাল মেম্বার, সবুজ মিয়া (২৫), পিতা-আব্দুর রহমান মাস্টার, সোহেল (২৫), পিতা-জলিল মেকার, উজ্জল মিয়া (২৩), পিতা-মোতালেব হোসেন, উজ্জল (২৪), পিতা-সোহরাব হোসেন, শাহজাহান (২৬), পিতা-আঃ কাদের, কাইলামার (৪৫), স্বামী-মৃত-শরিফুল সুরুজ ০৮জন কে আসামী করে ঘাটাইল থানায় মামলা দয়ের করেছেন।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন গণধর্ষনের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি জানান আমরা মেয়ের জবানবন্দি অনুসারে ৮জন কে আসামী করা হয়েছে ০৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে
আমাদের ঘাটাইল/প্রতিনিধি/রোব-১ম/কেআই/২১
গত শনিবার ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের সাগরদিঘী গ্রামে এক কিশোরীকে গণধর্ষনের অভিযোগে ৩ জন যুবক কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-হাফিজুর রহমান (১৯), পিতা-নজরুল ইসলাম বাড়ি মুক্তাগাছা থানা কাঠবাউলা গ্রাম। সোহেল (২৫), পিতা-জলিল মেকার, উজ্জল মিয়া(২৩), পিতা-মোতালেব হোসেন, তাদের উভয়ের বাড়ি সাগরদিঘী জালালপুর গ্রামে। রবিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত ৩ যুবক কে টাংগাইল জেল হাজতে প্রেরন করেছে।
পুলিশ ও ঐ মেয়েটি জানায় ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নে আশারিয়াচালা গ্রামের কিশোরী ঘাটাইল কলেজ মোড় থেকে নানার বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিলে কলেজ মোড়ে সাগরদিঘী বাসের হেলপার মোঃ হাফিজুরের সাথে পরিচয় হয়। তিনি ঐ মেয়েকে তার নানার বাড়ি পৌছে দেওয়ার কথা বলে সাগরদিঘী কাইলার মা নামে এক মহিলার কাছে নিয়ে যায়। সেখানে ঐ মহিলা কৌশলে ৮ জন যুবকের কাছে পাঠিয়ে দেয়। প্রথমে তারা পার্শ্ববর্তী থানা সখিপুর নিয়ে ধর্ষন করে। ঐ দিনই সেখান থেকে নিয়ে এসে হেলাল মেম্বারের ছেলে মজনু মিয়ার সাগরদিঘী বাজারে অবস্থিত নিজ বাসায় ঐ মেয়ে আটকে রেখে ৪ দিন পালাক্রমে ধর্ষন করে। এ সময় মেয়েটি চলে যেতে চাইলে তার মায়ের হাতে তুলে দিবে বলে ঐ যুবকরা তাকে জানায়। এ সময় কোন প্রকার উপায়ন্তর না দেখে মেয়েটির চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে পুলিশকে খবর পর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩ জন কে আটক করে। পরবর্তীতে রবিবার সকালে ঐ মেয়ে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হাফিজুর রহমান (১৯), পিতা-নজরুল ইসলাম, মজনু মিয়া-(২৬) পিতা-মৃত-হেলাল মেম্বার, সবুজ মিয়া (২৫), পিতা-আব্দুর রহমান মাস্টার, সোহেল (২৫), পিতা-জলিল মেকার, উজ্জল মিয়া (২৩), পিতা-মোতালেব হোসেন, উজ্জল (২৪), পিতা-সোহরাব হোসেন, শাহজাহান (২৬), পিতা-আঃ কাদের, কাইলামার (৪৫), স্বামী-মৃত-শরিফুল সুরুজ ০৮জন কে আসামী করে ঘাটাইল থানায় মামলা দয়ের করেছেন।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন গণধর্ষনের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি জানান আমরা মেয়ের জবানবন্দি অনুসারে ৮জন কে আসামী করা হয়েছে ০৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে
আমাদের ঘাটাইল/প্রতিনিধি/রোব-১ম/কেআই/২১

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷