ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ দুইগ্রুপে বিভক্ত ৷ নবম সংসদ নির্বাচনে আ'লীগ সাংসদ ডাঃ মতিউর রহমানের মৃত্যুতে অনুষ্ঠিত হয় উপনির্বাচন সেই নির্বাচনে আ'লীগের মনোনয়ন পান শহিদুল ইসলাম লেবু এবং বিদ্রোহী প্রার্থী আমানুর রহমান খান রানা জয়লাভ করেন ৷ তখন থেকেই আ'লীগের বিভক্তি আরও জোরদার হয় এবং চলতে থাকে রানার আধিপত্য |
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আ'লীগের টিকেট পান আমানুর রহমান খান রানা তখন থেকে আরও শক্তিশালি হতে থাকে রানা সমর্থক ৷ উপজেলা চেয়ারম্যানকেউ নিজের করে নেন এমপি রানা ৷ এমপি এবং উপজেলা চেয়ারম্যান যৌথভাবে গড়ে তুলেন একক অধিপত্য ৷ হঠাৎ করেই জেলা আ'লীগের প্রভাবশালী নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় নাম ওঠে আসে এমপি রানা সহ তার চারভাই সহিদুর রহমান খান মুক্তি (মেয়র) টাঙ্গাইল পৌরসভা ,জাহিদুর রহমান খান কাকন (চেম্বার অব কমার্স টাঙ্গাইল), সানিয়াত খান বাপ্পা(ভিপি করটিয়াএবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সহসভাপতি ৷ চার ভাই গ্রেফতার এড়াতে পালিয়েছে ৷ তখন থেকেই রানা সমর্থকরা প্রকাশে বের হওয়ার সাহস পাচ্ছে না ৷এরই সুবাদে শহিদুল ইসলাম লেবু সম্পুর্ন ঘাটাইল থানায় প্রভাব বিস্তার করতেছে ৷
অনেক রানা সমর্থক যোগ দিয়েছে লেবু সমর্থকদের সাথে এবং কিছু সমর্থক রয়েছে রানার দখলে ৷ ফলে উপজেলা আ'লীগের বিভক্তি কমার সম্ভবনা আপাতত নেই ৷ এই দ্বন্দের সুফল পাচ্ছে উপজেলা বি.এন.পি ৷ ঘাটাইল উপজেলা নির্বাচনের সময় বিভক্তি ঘটলেও সাবেক মন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদের নেত্রেত্ব দলকে সুগঠিত করে চলছে বি.এন.পি। এজন্য তারা ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত কমিটি গঠন সম্পুর্ন করেছে ৷
ঘাটাইলের আ'লীগের অনেক নেতা বলেছেন এভাবে উপজেলা আ'লীগের দ্বন্দ বিরাজ করলে ভবিষ্যতে আসনটিও হারাতে পারে ক্ষমতাশীন আওয়ামীলীগ ৷ তাই দলকে সংগঠিত করতে সকল নেতাকে একসাথে কাজ করার জন্য অনুরোধ করেছেন ৷ অপর দিকে বিএনপি সামনের নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে ৷

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷