মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৩, ২০১৯

তথ্য অধিদপ্তর নেবে ৪৮ জন

তথ্য অধিদপ্তরের ৮ পদে ৪৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সম্প্রতি জনবল নিয়োগে তাদের এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

যেসব পদে নিয়োগ
পদের নাম: ইনফরমেশন অ্যাসিস্ট্যান্ট। পদ: ১০টি। বেতন ১২ হাজার ৫০০-৩০ হাজার ২৩০ টাকা।

পদের নাম: ফটোগ্রাফার। পদ: ৪টি বেতন: ১২ হাজার ৫০০-৩০ হাজার ২৩০ টাকা।

পদের নাম: সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর। পদ ২টি। বেতন: ১১ হাজার -২৬ হাজার ৫৯০ টাকা।

পদের নাম: সাঁট মুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর। পদ: ৩টি। বেতন: ১০ হাজার ২০০-২৪ হাজার ৬৮০ টাকা।

পদের নাম: স্টোর অ্যাসিস্ট্যান্ট। পদ: ১টি। বেতন: ৯ হাজার ৩০০-২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

পদের নাম: অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক। পদ: ১০টি। বেতন: ৯ হাজার ৩০০-২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

পদের নাম: অফিস সহায়ক। পদ: ১৭টি। বেতন: ৮ হাজার ২৫০-২০ হাজার ১০ টাকা।

পদের নাম: পরিচ্ছন্নতাকর্মী। পদ: ১টি। বেতন: ৮ হাজার ২৫০-২০ হাজার ১০ টাকা।

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স ১ এপ্রিল ২০১৯ এ ১৮ থেকে ৩০ হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধী কোটার ক্ষেত্রে বয়স ৩২ পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

আগ্রহী প্রার্থীদের pid.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।

আবেদনপত্র জমা: আবেদনপত্র অনলাইনে আগামী ১২ মে থেকে শুরু হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ২৬ মে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

স্থগিতই থাকছে সাবেক এমপি রানার জামিন

যুবলীগের দুই নেতা হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল-৩ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানাকে হাইকোর্টের দেয়া জামিনের ওপর স্থগিতাদেশ চলমান রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ 
করে এ আদেশ দেন।


আদালতে আজ (মঙ্গলবার) আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এবং তার সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ। এছাড়া রানার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার, মনসরুল হক চৌধুরী ও সাঈদ আহমেদ রাজা।

সাঈদ আহমেদ রাজা জানান, হাইকোর্ট জামিন দিয়েছিলেন। পরে চেম্বার আদালত তা স্থগিত করেছিল। আজ আপিল বিভাগ সে স্থগিতাদেশ কন্টিনিউ করেছেন।

গত ৬ মার্চ যুবলীগের ২ নেতা হত্যা মামলায় হাইকোর্ট তাকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছিলেন। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ১৪ মার্চ রানার জামিন স্থগিত করেন।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা শামীম ও মামুন ২০১২ সালের ১৬ জুলাই তাদের বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে টাঙ্গাইল শহরে গিয়ে নিখোঁজ হন। ঘটনার পর দিন শামীমের মা আছিয়া খাতুন এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এক বছর পর ২০১৩ সালের ৯ জুলাই নিখোঁজ মামুনের বাবা টাঙ্গাইল আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত করে পুলিশ ওই বছর ২১ সেপ্টেম্বর মামলাটি তালিকাভুক্ত করে।

এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার খন্দকার জাহিদ গত বছর ১১ মার্চ, শাহাদত হোসেন ১৬ মার্চ এবং হিরন মিয়া ২৭ এপ্রিল আদালতে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তারা উল্লেখ করেন, এমপি আমানুর রহমান খান রানার দিক নির্দেশনায় যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুনকে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়।

এছাড়া আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সদস্য ফারুক আহমেদকে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তৎকালীন এমপি রানা ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠান টাঙ্গাইলের বিচারিক আদালত। বর্তমানে মামলাটি সাক্ষগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। এ মামলায় গত ১ এপ্রিল আপিল বিভাগ তার জামিন বহাল রেখেছেন। তবে মঙ্গলবার দুই নেতা হত্যা মামলায় জামিন না পাওয়ায় তার কারা মুক্তি মিলছে না।

ঘাটাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র সহ আটক ২

টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ঘাটাইল উপজেলার কালিদাস পাড়া গ্রামে আকাশমনি বাগানের ভেতর সোমবার (২২ এপ্রিল) দিনগত গভীর রাতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র সহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন, বরিশাল জেলার কোতওয়ালী থানার দক্ষিণ আলেকান্দা গ্রামের মৃত আবুল কাশেম হাওলাদারের ছেলে মো. রানা হাওলাদার (৪৫) ও টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার খরাবর গ্রামের মৃত আজহার আলীর ছেলে মো. আকবর আলী(৩৫)।

র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর টাঙ্গাইল কোম্পানীর ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার মো. শফিকুর রহমান জানান, গোপণ সংবাদের ভিত্তিতে ঘাটাইলের কালিদাস পাড়া গ্রামের মৃত মহি মাস্টারের বাড়ি সংলগ্ন আকাশমনি বাগানের ভেতর অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ছোরা, একটি রামদা ও একটি চাপাতি জব্দ করা হয়।

তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা উল্লেখিত স্থানে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তারা ডাকাতির প্রস্তুতির কথা স্বীকার করেছে।

ঘাটাইলে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র উদ্বোধন

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর ঘাটাইল এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ ২৩ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় ঘাটাইল মেইন রোডস্থ হোসাইন টাওয়ার (পুরাতন কনক সিনেমা হল) ২য় তলায় ফিতা কেটে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর ঘাটাইল এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র উদ্বোধন করেন ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান খান।

বিল্লাল এন্টারপ্রাইজের আয়োজনে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট (ময়মনসিংহ যোনাল অফিস) মোঃ জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোঃ ওবায়দুল ইসলাম, এফএভিপি ও মধুপুর শাখা ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ আলতাফ উদ্দিন খান, ঘাটাইল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ হোসনী মোবারক বাবুল, ঘাটাইল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারন সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন, ঘাটাইল ট্রাক মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক ও ঘাটাইল পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাজহারুল ইসলাম।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড মধুপুর শাখার অপারেশন ম্যানেজার মোঃ আসাদুজ্জামান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

উল্লেখ্য, এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্রে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের সকল প্রকার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ রাসেল মিঞাকে পরিচয় করিয়ে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

সোমবার, এপ্রিল ২২, ২০১৯

ঘাটাইলে নুসরাত ও মনিকা হত্যা কান্ডের বিচারের দাবীতে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত

ধর্ষনমুক্ত নিরাপদ দেশ চাই, মা বোনদের নিরাপত্তা চাই, এই শ্লোগান কে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় সোমবার সকাল ১১টায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা নুসরাত ও মনিকা হত্যা কান্ডের সকল হত্যা কান্ডের বিচারের দাবীতে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ ঘাটাইল উপজেলা শাখা আয়োজিত উপজেলা মুল ফটকের সামনে মানব বন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদেও ঘাটাইল উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক অধীর চন্দ্র সাহা,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক কার্ত্তি চন্দ্র দত্ত , বাংলাদেশ হিন্দু বৈদ্য খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদেও ঘাটাইল উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদকত অমুল্য চন্দ্র আর্য্য,পৌর কমিটির সভাপতি মুকুল চন্দ্র দেব নাথ, সাধারন সম্পাদক জিতেন্দ্র আর্য্যসহ অন্যান্য হিন্দু নেতৃ বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রবিবার, এপ্রিল ২১, ২০১৯

ঘাটাইলে এক সপ্তাহে সড়কে প্রাণ গেলো চারজনের

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাকুটিয়া ও পূর্ব অঞ্চলে বিস্তীর্ণ পাহাড়িয়া এলাকায় গত এক সপ্তাহে চারটি সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। গত ১৪ এপ্রিল থেকে আজ ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে ঘাটাইলে এই সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচ জন। এ এলাকায় লাগাতার সড়ক দুর্ঘটনার জন্য চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালনা, সচেতনতার অভাব এবং চলাচলের অনুপযোগী ভাঙ্গাচোরা রাস্তাকে দায়ী করছেন এলাকাবাসী।

রোববার (১৪ এপ্রিল) রাতে টাংগাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে গাড়ির চাপায় পৃষ্ট হয়ে এক পাগলির (৪৫) মৃত্যু হয়। ঘাটাইলের পাকুটিয়া বাসষ্টেশনের কাছে ফুলহারা (খনিরচড়া) নামক স্থানে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পহেলা বৈশাখের দিনে ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের শরাবাড়ী বাজারস্থ ‘পাঞ্জাগানা’ নামক মোড়ে পিকআপের সাথে মোটরসাইকেলের সামনাসামনি সংঘর্ষে একজন নিহত ও একজন আহত হন। উক্ত দুর্ঘটনায় আহত রায়হান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় বুধবার (১৭ এপ্রিল) মৃত্যুবরণ করেন।

১৯ এপ্রিল (শুক্রবার) ঘাটাইলের সাগরদিঘী-গারোবাজার সড়কের মুরাইদ এলাকায় ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংর্ঘষে নাইম মিয়া (২৫) নামে এক যুবক নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুই জন। নিহত যুবক কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার বরুহা গ্রামের কালাম মিয়ার ছেলে।

এদিকে আজ রোববার (২১ এপ্রিল) ঘাটাইলের সাগরদিঘী-সখীপুর সড়কে ট্রাক ও ব্যাটারি চালিত ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাদশা মিয়া (৪৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত বাদশা মিয়া ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের শালিয়াবহ গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে।

এসন ঘটনায় ঘাটাইলবাসী সড়কে চলাচলে অনেকটা আতংকিত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে উপজেলার পাহাড়িয়া অঞ্চলের বেশ কিছু সড়ক একেবারেই ভাঙ্গাচোরা  ও চলাচলের অনুপযোগী থাকার কারণে দুর্ঘটনাগুলো ঘটছে বলে মনে করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তারা এই সড়কগুলো দ্রুত সংস্কার করে সাধারণের চলাচলের উপযোগী করার জন্য জোড় দাবী জানান।

শবেবরাতের নামাজ কিভাবে আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন: শবেবরাত উপলক্ষে বিশেষ পদ্ধতির কোনো নামাজ আছে কি না-এ প্রশ্ন অনেকে করে থাকেন। একধরনের চটি বই পুস্তিকায় বিভিন্ন নিয়মের কথা লেখাও থাকে। বিশেষ বিশেষ সূরা দিয়ে নামাজ পড়া বা নির্ধারিত রাকাত নামাজ বিশেষ সূরা দ্বারা আদায় করা ইত্যাদি।

প্রশ্ন: এই যে, হাদিস শরিফে এ রাতে বিশেষ পদ্ধতির কোনো নামাজ আছে কি? থাকলে তা জানতে চাই। তদ্রুপ কেউ কেউ এ রাতে জামাতের সঙ্গে নফল নামাজ পড়তে চায়। এ ব্যাপারে শরয়ী বিধান কী?

উত্তর: শবেবরাতে বিশেষ পদ্ধতির কোনো নামাজ নেই। সব সময় যেভাবে নামাজ পড়া হয় সেভাবেই পড়বে অর্থাৎ দুই রাকাত করে যত রাকাত সম্ভব হয় আদায় করবে এবং যে সূরা দিয়ে সম্ভব হয় পড়বে। তদ্রুপ অন্যান্য আমলেরও বিশেষ কোনো পন্থা নেই। কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজকার, দোয়া-ইস্তেগফার ইত্যাদি নেক আমল যে পরিমাণ সম্ভব হয় আদায় করবে।

তবে নফল নামাজ দীর্ঘ করা এবং সিজদায় দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করা উচিত, যা হাদিস শরিফ থেকে জানা যায়। বিভিন্ন বই-পুস্তকে নামাজের যে নির্দিষ্ট নিয়মকানুন লেখা আছে অর্থাৎ এত রাকাত হতে হবে, প্রতি রাকাতে এই এই সূরা এতবার পড়তে হবে-এগুলো ঠিক নয়।

হাদিস শরিফে এ ধরনের কোনো নিয়ম নেই, এগুলো মানুষের মনগড়া পন্থা।

বলাবাহুল্য যে, যে কোনো বই-পুস্তিকায় কোনো কিছু লিখিত থাকলেই তা বিশ্বাস করা উচিত নয়। বিজ্ঞ আলিমদের কাছ থেকে জেনে আমল করা উচিত। শবেবরাতের নফল আমলসমূহ, বিশুদ্ধ মতানুসারে একাকী করণীয়। ফরজ নামাজ তো অবশ্যই মসজিদে জামাতের সঙ্গে আদায় করতে হবে।

এরপর যা কিছু নফল পড়ার তা নিজ নিজ ঘরে একাকী পড়বে। এসব নফল আমলের জন্য দলে দলে মসজিদে এসে সমবেত হওয়ার প্রমাণ হাদিস শরিফেও নেই আর সাহাবায়ে কেরামের যুগেও এর রেওয়াজ ছিল না। ইকতিযাউস সিরাতিল মুসতাকীম ২/৬৩১-৬৪১; মারাকিল ফালাহ পৃ. ২১৯

তবে কোনো আহ্বান ও ঘোষণা ছাড়া এমনিই কিছু লোক যদি মসজিদে এসে যায় তাহলে প্রত্যেকে নিজ নিজ আমলে মশগুল থাকবে, একে অন্যের আমলে ব্যাঘাত সৃষ্টির কারণ হবে না।

উত্তর প্রদানে: ফতওয়া বিভাগ, মারকাযুদ দাওয়াহ আল ইসলামিয়া,পল্লবী,মিরপুর,ঢাকা

ঘাটাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

খাদেমুল ইসলাম মামুন, ঘাটাইল : টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ট্রাক ও ব্যাটারি চালিত ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. বাদশা মিয়া (৪৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২১এপ্রিল) সকাল ৭ টায় সাগরদিঘী-সখীপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তি হলেন- ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের শালিয়াবহ গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে মো. বাদশা মিয়া।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত বাদশা মিয়া ভ্যান দিয়ে কলা নিয়ে সখীপুর উপজেলার কুতুবপুর বাজারে যাওয়ার পথে সাগরদিঘী পল্টনপাড় নামক স্থানে এলে বিপরীত দিক থেকে একটি ট্রাক এসে মুখোমুখি ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই বাদশা মিয়া মারা যায়।

সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি আশরাফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আজ সকালে সাগরদিঘী পল্টনপাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

শনিবার, এপ্রিল ২০, ২০১৯

ঘাটাইলে মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছনার মামলা না করতে ওসির পরামর্শ!

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছনার অভিযোগ আমলে না নিয়ে মামলা- মোকদ্দমা না করার পরামর্শ দিয়েছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাকসুদুল আলম। শনিবার (২০ এপ্রিল) টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ঘাটাইল উপজেলার বেরুয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুজ্জান মনি বলেন, শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকালে পাশের একাশি বাজার থেকে ফেরার পথে মাদারিপাড়া নামকস্থানে কামালপুর গ্রামের মৃত ইবাদত আলীর ছেলে মো. হাতেম আলী তার গতিরোধ করে অশালীন ও স্বাধীনতা বিরোধী কথা বলে গালিগালাজ শুরু করে। এর প্রতিবাদ করায় একপর্যায়ে হাতেম আলী তাকে মারপিট করে এবং নগদ ১২হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

এ ঘটনায় দুই শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা দিঘলকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের কাছে ঘটনা জানালে তিনি ঘাটাইল থানা পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেন।

পরে ঘাটাইল মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার মো. তোফাজ্জল হোসেনসহ মুক্তিযোদ্ধারা ঘাটাইল থানার ওসি মো. মাকসুদুল আলমের কাছে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও এ বিষয়ে কোন আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে ওসি নানা টালবাহানা শুরু করে। এক পর্যায়ে ওসি মো. মাকসুদুল আলম স্থানীয় এমপি’র সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।

ওসি এ ঘটনার জন্য অভিযুক্ত হাতেম আলীকে ক্ষমা করে দিতে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অনুরোধ জানান এবং একই সাথে এ ঘটনায় কোন প্রকার মামলা- মোকদ্দমা না করার পরামর্শ দেন।

সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী হীরা, হামিদুল হক, মঞ্জুর হোসেন খান, আব্দুর রাজ্জাক, দীঘলকান্দি ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন খান সহ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা এবং বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঘাটাইলে নুসরাত হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন

মাসুম মিয়া, ঘাটাইল: ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লোকের পাড়া ও এস ফাযিল মাদরাসার উদ্যোগে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার সকাল ১১ টায় মাদরাসার সামনে ভুঞাপুর-ঘাটাইল রোডে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মাদরাসার সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আওরঙ্গজেব খান হিটলার, অধ্যক্ষ মো. বখতিয়ার খান, পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম, মাদরাসার প্রভাষক মো. সুলতান মিয়া, লোকের পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মো.ইমরান হোসেন প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তারা নুসরাত হত্যার সাথে জরিত সকলকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার ও ফাঁসির জোর দাবী জানান।

এতে লোকের পাড়া ও এস ফাযিল মাদরাসা ও লোকেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় ৫ শতাধিক লোক অংশ গ্রহন করেন।