মঙ্গলবার, মার্চ ১৪, ২০১৭

তুচ্ছ ঘটনায় মাদ্রাসার দু’ছাত্রকে দোররা :: ভাইস প্রিন্সিপাল লাঞ্ছিত

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া ওএস ফাজিল মাদ্রাসার দু’ছাত্রকে তুচ্ছ ঘটনায় জুতাপেটা ও সালিশে একশ’ ঘা করে দোররা মারা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদেরকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও শিক্ষকের পা ধরে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার রায় দিয়েছে গ্রাম্য সালিশ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয়রা জানায়, শিক্ষার্থীদেও মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জের ধরে লোকেরপাড়া ওএস ফাজিল মাদ্রাসার তছলিম উদ্দিন খান(নবম শ্রেণি) ও রাকিব তালুকদার(আলিম ১ম বর্ষ) নামে দুই শিক্ষার্থীকে গত ৫ মার্চ মাদ্রাসার অফিস কক্ষে ডেকে এনে জুতাপেটা করেন। শিক্ষার্থীদের অপর পক্ষের কাউকে না ডেকে ওই দুই শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আনিছুর রহমান জুতাপেটার মাধ্যমে শাসন করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওই দুই শিক্ষার্থী ওইদিনই ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আনিছুর রহমানকে রাস্তায় একা পেয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।
এ ঘটনায় গত ৮ মার্চ মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আওরঙ্গজেব খান হিটলারের সভাপতিত্বে এক গ্রাম্য সালিশি বৈঠত অনুষ্ঠিত হয়। সালিশি বৈঠকে ওই দুই শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত সাব্যস্ত করা হয়। পরে বৈঠকের সিদ্ধান্তে তছলিম উদ্দিন খানকে ১০০, রাকিব তালুকদারকে ১০০ ও শরিফ খান নামে অপর এক শিক্ষার্থীকে কাঁচা কঞ্চির ৫০টি দোররা মারা হয় এবং ভাইস প্রিন্সিপালের পা ধরে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া এবং তছলিমের ১০ হাজার, রাকিব তালুকদারের ৫ হাজার ও শরিফ খানের ৫ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়। একই সঙ্গে জরিমানা আদায়ের পর অভিযুক্তদের মাদ্রাসা থেকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একটি অপরাধে পৃথক চার রকমের সাজা দেওয়ার ঘটনাটি স্থানীয় অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।           ওই মাদ্রাসার শিক্ষক ও সালিশের সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, গ্রাম্য সালিশে নিজেদের ছেলেদের শাসন করা হয়েছে। এটা নিয়ে লেখালেখির কিছু নেই।

সোমবার, মার্চ ১৩, ২০১৭

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুননাহারের দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা আর অদক্ষতায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ব্রাহ্মণশাসন মহিলা মহাবিদ্যালয়টি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৮ সালে এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এক যুগ পর ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়। কলেজ প্রতিষ্ঠার শুরুতে অধ্যক্ষ ছিলেন এএফএম গোলাম কিবরিয়া। তিনি অন্যত্র চলে যাওয়ার পর প্রায় ২ বছর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন মো. জুলফিকার আলী লিটন। তিনি থাকাকালীন স্বীকৃতি পায় কলেজটি। এরপর অধ্যক্ষ হিসেবে শেখ ফিরোজ আহম্মেদ যোগদান করেন। তিনিও অন্যত্র চলে যান। এরপর শূন্য পদে সাময়িকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন লুৎফুননাহার। এ পদে দায়িত্ব পালনে ন্যূনতম যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা না থাকায় যোগদানের পর থেকেই নানা অনিয়ম আর দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। দীর্ঘ ৮ বছর তিনি কলেজের লেখাপড়ার প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে ও বিধিবহির্ভূতভাবে নানা গর্হিত কাজ করে যাচ্ছেন। তার বিধিবহির্ভূত কর্মকাণ্ড ও লুটপাটের কারণে কলেজের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা একেবারেই ভেঙে পড়ে। ফলে কলেজের সব স্টাফ একযোগে বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন। তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকারের দাবি জানান সব স্টাফ। অভিযোগের মধ্যে কলেজে পাবলিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সনদ ট্রান্সক্রিপ্ট প্রদানকালে বোর্ডের নিয়মের বাইরে প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২শ’ টাকা করে নেন। কিন্তু কোনো রশিদ দেন না। কলেজের ইট বিক্রির ৪৮ হাজার টাকা ফান্ডে জমা করেননি। ২০১৪ সালের ২৭ ডিসেম্বর গভর্নিং বডির সভাপতি মাসুদুর রহমান আজাদ ৩ জন শিক্ষক নিয়োগ দেন। স্বচ্ছতা ও মেধা তালিকায় নিয়োগ পাওয়ায় তারা খুশি হয়ে কলেজ উন্নয়নের নামে প্রতিজন ১ লাখ টাকা করে ৩ লাখ টাকা দেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছে। অথচ কলেজ ফান্ডে জমা না দিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ টাকা সম্পূর্ণ আত্মসাৎ করেছেন মর্মে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি) মো. মোখলেছুর রহমান গত বছরের ১২ ডিসেম্বর (স্মারক নং-৫৭৫) তদন্ত প্রতিবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক চেয়ারম্যানের কাছে প্রেরণ করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য এবং প্রতিষ্ঠানটিকে একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে নিয়মিত গভর্নিং বডি গঠন ও বিধি বহির্ভূতভাবে শিক্ষক নিয়োগ স্থগিতকরণসহ এ কলেজে একজন সার্বক্ষণিক অধ্যক্ষ নিয়োগ জরুরি মর্মে ও তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়।
জানতে চাইলে ঘাটাইল ব্রাহ্মণশাসন মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুননাহার যুগান্তরকে বলেন, আমার কাছেও অনেক তদন্ত রিপোর্ট আছে। এর চেয়ে আর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

ঘাটাইলে দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে চাল ব্যবসায়ী উধাও


ঘাটাইল(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ 
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন রাইস মিল থেকে প্রায় দুই কোটি টাকার চাল কিনে রাজিব নামে এক প্রতারক চাল ব্যবসায়ী দাম পরিশোধ না করে, পরিবার পরিজন নিয়ে উধাও হয়েছে। প্রতারক রাজিব হোসেন বাবু পার্শ্ববতী কালিহাতী উপজেলার হামিদপুর বাজার উত্তর বেতডোবা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
এ ঘটনায় রাজিব হাসান, স্ত্রী তনিমা আক্তার জুলি, ম্যানেজার, রামানন্দ, ব্যবসায়ী পার্টনার সাহেব আলী ও বেল¬ালের নাম উলে¬খ পূর্বক অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামী করে ঘাটাইল থানায়  একটি প্রতারনা মামলা দায়ের করা করেছেন ১৬জন রাইস মিলের মালিক ।
মামলা সূত্রে জানা যায়, কালিহাতী উপজেলার হামিদপুর এলাকার প্রতারক রাজিব হোসেন বাবু ও তার ব্যাবসায়ী পার্টনাররা ঘাটাইল উপজেলার রাইস মিলের মালিক মীর জাকির হোসেন কাকনের ২৭ লাখ ২৬ হাজার ১৭৫ টাকা, মো. কাউসারের ২৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, সোহেল হোসেনের (খোকন) ১৫ লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ টাকা, বকুলের ১০ লাখ ৭১ হাজার ২৫০ টাকা, শাহীনের ৮ লাখ ৭৬ হাজার ৪২৩ টাকা, শামছুল হকের ৫ লাখ ৫৯ হাজার ৪৩০ টাকা, সাজিবের সাড়ে ছয় লাখ টাকা, সবুজের সাড়ে ১১লাখ টাকা, ঠান্ডুর সাড়ে চার লাখ টাকা, আওয়াল মিয়ার ৭ লাখ ৩৫ হাজার ৮০০ টাকা, কবিরের সাড়ে ছয় লাখ টাকা ও সানোয়ারের সাড়ে তিন লাখ টাকা সহ বিভিন্ন জনের কাছ থেকে প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের চাল বাকী নেয়। পরবর্তীতে গত এক সপ্তাহ ধরে রাজিবের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এক পর্যায়ে তাদের বাড়িতে গিয়েও তার পরিবারের লোকজনকে পাওয়া না যাওয়ায় ভূক্তভোগী রাইস মিল ব্যবসায়ীরা হতাশ হয়ে পড়েছে। তারা এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে পথে বসে গেছেন। ক্ষতিগ্রস্থ মিল মালিকরা ঘাটাইল রাইস মিল মালিক সমিতি প্রতারক চক্রের মূল হোতা রাজিব হোসেন বাবুকে ধরিয়ে দেয়ার জন্য নগদ ৫ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন।

রবিবার, মার্চ ১২, ২০১৭

ঘাটাইলের পাহাড়ি এলাকায় কবি মিলন মেলা


টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাহাড়িয়া এলাকা গারো বাজার শালিয়াবহ গ্রামে রোববার (১২মার্চ)  দিনব্যাপী কবি মিলন মেলা ও কবিতা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (বার্তা) কবি নাসির আহমেদ।
বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলা সাহিত্যের শিকর হচ্ছে আবহমান গ্রাম বাংলায়। সেই গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের সাথে আধুনিকতার সমন্বয় করা গেলেই মৃত্তিকা সংলগ্ন সাহিত্য সৃষ্টি করা যাবে। শহরের কোলাহলে বসে জীবন ঘনিষ্ঠ সাহিত্যের রচনা করা সম্ভব নয়। তাই জীবন ঘনিষ্ঠ সাহিত্য সৃষ্টির জন্য গ্রামে সবাইকে আসতে হবে।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের গীতিকার, সুরকার ও করটিয়া সাদৎ কলেজের প্রফেসর আলীম মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি অধ্যাপক অধীর চন্দ্র সরকার, কবি ও গবেষক দিদার মাহমুদ, কবি সোহরাব পাশা, কবি ড. মমতাজ বেগম, নাট্যজন আলী হাসান প্রমুখ।
এর আগে সকালে জাতীয় সংগীতের মধ্যদিয়ে উৎসবের শুরু হয়। উৎসবের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল সাধারন গ্রন্থাগারের সাধারন সম্পাদক কবি মাহমুদ কামাল। অনুষ্ঠানের দুই পর্বে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা শতাধিক কবি কবিতা পাঠ করেন।
অনুষ্ঠানে কবি মতিয়ারা মুক্তার “মাটির মা” কাব্য গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন করা হয়। এ বিষয়ে কবি মতিয়ারা মুক্তা বলেন, এমন আয়োজন আগে কোথাও হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। এমন আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি। আগামী দিনগুলিতে আরো বৃহত্তর ভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে বলেও তিনি আশাবাদ করেন।

কবি মিলন মেলা ও কবিতা উৎসবকে কেন্দ্র করে পাহাড়ি জনপদে এক ভিন্ন রকমের আমেজ বিরাজ করে। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় গ্রামীন মেলার। পরে রাতে সংগীত ও নৃত্য পরিবেশেনের মধ্যদিয়ে উৎসবের সমাপ্তি হয়।
বাংলাদেশ বেতারের কন্ঠ শিল্পী এমদাদুল হক সরকার এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন

ঘাটাইলের পাহাড়ি এলাকায় কবি মিলন মেলা


টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাহাড়িয়া এলাকা গারো বাজার শালিয়াবহ গ্রামে রোববার (১২মার্চ)  দিনব্যাপী কবি মিলন মেলা ও কবিতা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (বার্তা) কবি নাসির আহমেদ।
বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলা সাহিত্যের শিকর হচ্ছে আবহমান গ্রাম বাংলায়। সেই গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের সাথে আধুনিকতার সমন্বয় করা গেলেই মৃত্তিকা সংলগ্ন সাহিত্য সৃষ্টি করা যাবে। শহরের কোলাহলে বসে জীবন ঘনিষ্ঠ সাহিত্যের রচনা করা সম্ভব নয়। তাই জীবন ঘনিষ্ঠ সাহিত্য সৃষ্টির জন্য গ্রামে সবাইকে আসতে হবে।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের গীতিকার, সুরকার ও করটিয়া সাদৎ কলেজের প্রফেসর আলীম মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি অধ্যাপক অধীর চন্দ্র সরকার, কবি ও গবেষক দিদার মাহমুদ, কবি সোহরাব পাশা, কবি ড. মমতাজ বেগম, নাট্যজন আলী হাসান প্রমুখ।
এর আগে সকালে জাতীয় সংগীতের মধ্যদিয়ে উৎসবের শুরু হয়। উৎসবের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল সাধারন গ্রন্থাগারের সাধারন সম্পাদক কবি মাহমুদ কামাল। অনুষ্ঠানের দুই পর্বে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা শতাধিক কবি কবিতা পাঠ করেন।
অনুষ্ঠানে কবি মতিয়ারা মুক্তার “মাটির মা” কাব্য গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন করা হয়। এ বিষয়ে কবি মতিয়ারা মুক্তা বলেন, এমন আয়োজন আগে কোথাও হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। এমন আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি। আগামী দিনগুলিতে আরো বৃহত্তর ভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে বলেও তিনি আশাবাদ করেন।

কবি মিলন মেলা ও কবিতা উৎসবকে কেন্দ্র করে পাহাড়ি জনপদে এক ভিন্ন রকমের আমেজ বিরাজ করে। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় গ্রামীন মেলার। পরে রাতে সংগীত ও নৃত্য পরিবেশেনের মধ্যদিয়ে উৎসবের সমাপ্তি হয়।
বাংলাদেশ বেতারের কন্ঠ শিল্পী এমদাদুল হক সরকার এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন

ঘাটাইলে মাদকের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর পদযাত্রা ও বিক্ষোভ মিছিল


টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লোকেড়পাড়া গ্রামের লোকেড়পাড়া মাদক ও জুয়া প্রতিরোধ আঞ্চলিক কমিটির উদ্যোগে মাদক বিরোধী পদযাত্রা, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১২ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে লোকেড়পাড়া গ্রামের আঞ্চলিক মাদক ও জুয়া প্রতিরোধ কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে পদযাত্রাটি আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের ১০ কিলোমিটার সড়ক পদক্ষিণ করে। পরে পদযাত্রাটি ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে সামনে শেষ হয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনটির সভাপ্রতি এ্যাডভোকেট কাপাশ খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ভূঞাপুর পৌরসভার সাবেক কমিশনার আজহারুল ইসলাম, সংগঠনটির সংগঠক তারা মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ প্রমুখ।
বক্তারা তাদের কার্যক্রম চলমান রাখতে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে মাদক ও জুয়া সমূলে বিতারিত করতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

ঘাটাইল পৌর বিএনপির সভা অনুষ্ঠিত

ঘাটাইল(টাঙ্গাইল) সংবাদদাতাঃ 
ঘাটাইল পৌর বিএনপির নব গঠিত কমিটির এক সভা গতকাল শনিবার উপজেলা সদরের মাধ্যমিক বিদ্যালয়  শিক্ষক সমিতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। পরিচিতি সভায়  প্রধান অতিথী ছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি লুৎফর রহমান খান আজাদ । 
পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মজ্ঞুরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দলের সাংগাঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক ফারুক হোসেন ধলার পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আ. খ.ম রেজাউল করিম, যুগ্ম সম্পাদক হেলালুর রহমান খান, খলিলুর রহমান, সহ সভাপতি বুলবুল ভ’ইয়া, টাঙ্গাইল জেলা মহিলাদলের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন খান, পৌর বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর শামীম সরকার, পৌর যুবদলের সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর শহিদুল ভ’ইয়া, প্রমূখ । দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তারা সাংগাঠনিক বিভিন্ন দিক তোলে ধরে বক্তব্য রাখেন। সভায় পৌর কমিটির সকল সদস্য ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও পৌর যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদল, শ্রমিকদল ও এর অঙ্গ সংগঠনের আমন্ত্রিত নেতৃবৃন্দরা  উপস্থিত ছিলেন। 

শনিবার, মার্চ ১১, ২০১৭

যে কারণে কলা এত পছন্দ সোনাক্ষীর!

বিনোদন ডেস্ক: ‘দাবাং গার্ল’ সোনাক্ষী সিনহার প্রিয় ফল কি জানেন? এই নায়িকার প্রিয় ফল হলো কলা। ভাবছেন এত দামি ফল থাকতে হঠাৎ করে তার এই সাধারণ ফল কেন পছন্দ?
মূলত, শুষ্ক ত্বক সারানো থেকে চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়িয়ে তোলা বা শরীর থেকে ফ্যাট কমানো‚ কলা সব কিছু করতে পারে। খুব কম ফলই আছে যা কলার মতো সর্বগুণ সম্পন্ন। যার কারণেই সোনাক্ষীর কলা এতো পছন্দ। জেনে নিন কলার বিশেষ কিছু গুণাগুণ :
১) ত্বককে নরম এবং হাইড্রেটেড রাখে: কলাতে ভিটামিন বি৬ আর ভিটামিন সি আছে। এছাড়াও এতে উচ্চ পরিমাণে পানি আছে। এইসবের ফলে আমাদের ত্বক হাইড্রেটেড থাকে। এছাড়াও কলাতে উপস্থিত নিউট্রিয়েন্টস ত্বকের ইলাসটিসিটি বজায় রাখে। তাই রোজ নিজের ডায়েটে কলা রাখুন। শুষ্ক ত্বকের যদি সঙ্গে সঙ্গে আদ্রতা ফেরাতে চান তাহলে অল্প কলা চটকে মুখে লাগিয়ে নিন। ৩০ মিনিট রেখে হল্কা গরম জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
২) সে গুডবাই টু এজিং: কলা শরীরকে সুরক্ষা দেয় Free Oxygen Radicals এবং বলিরেখার হাত থেকে। অনেকেই জানেন না কলার খোসা দিয়ে খুব সহজেই মুখের বলি রেখা কমিয়ে ফেলা যায়। এর জন্য খুব একটা কসরতও করতে হবে না আপনাকে। শুধুমাত্র কলা খেয়ে খোসাটা ফেলে না দিয়ে তা মুখের ওপর ঘষে নিন। ১৫ মিনিট রাখার পর ঠান্ডা পানি ধুয়ে ফেলুন। এছাড়াও অল্প একটু কলা চটকে তাতে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল ভালো করে মিশিয়ে তাও মুখে লাগাতে পারেন। এই ফেস প্যাক ৩০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে।
৩) ফুট কেয়ার : পা ফাটা খুব সহজেই সারিয়ে তোলে পাকা কলা। দুটো কলা ভালো করে চটকে ১০ মিনিট ভালো করে পায়ের গোড়ালি এবং ফাটা অংশে লাগিয়ে রাখুন। সপ্তাহে চারদিন এটা করতে হবে। কয়েকদিনের মধ্যেই ফারাক দেখতে পাবেন।
৪) পাফি আইজ ঠিক করে: কলাতে উচ্চ পরিমাণে পটাসিয়াম থাকায় চোখের তলার ফোলা ভাব ঠিক করে দিতে পারে। এর জন্য এক টুকরো কলা চটকে চোখের তলার ফোলা অংশের ওপর লাগান। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। শুধুমাত্র কলার খোসা রাখলেও সুফল পাবেন।
৫) অ্যাকনে আর পিম্পল দূর করে: কালো ছোপ বা অ্যাকনে এবং ব্রণর মতো সমস্যার হাত থেকেও রক্ষা করে কলা। এর জন্য এক টুকরো কলার খোসা নিয়ে ব্রণ বা কালো ছোপের ওপর খুব হাল্কা করে ঘষে নিন। খোসা রং পাল্টে কালো না হওয়ে যাওয়া অবধি ঘষতে থাকুন । দিনে তিনবার এটা করুন।
৬) রেশমি এবং উজ্জ্বল চুলের জন্য: কলাতে প্রাকৃতিক তেল‚ কার্বোহাইড্রেট‚ পটাসিয়াম এবং ভিটামিন আছে। এই সব নিউট্রিয়েন্টস চুলের জন্য খুব দরকারী। নিয়মিত কলা ব্যবহার করলে চুল মজবুত হবে এবং একই সঙ্গে তা রেশমের মতো কোমল হয়ে উঠবে। এর জন্য একটা পাকা কলা চটকে তাতে অল্প একটু আমন্ড তেল মিশিয়ে চুলে লাগান। ১৫ মিনিট রাখার পর ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।
৭) আপনার মুডের উন্নতি ঘটায় : কলা তে Tryptophan নামের এক প্রোটিন আছে। এই প্রোটিন শরীরে Serotonin নামের একটা হর্মোন তৈরি করে যা মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। তাই যারা ডিপ্রেশনে ভুগছেন কলা তাদের জন্য খুব ভালো।
৮) রোগা হতে সাহায্য করে : কোনদিন লক্ষ্য করে দেখেছেন কী একটা কলা খেলেই অনেক্ষণ আর খিদে পায় না। এছাড়াও এই ফলে এত প্রাকৃতিক চিনি আছে যা সঙ্গে সঙ্গে এনার্জি দেয়।
৯) কোলেস্টেরল কম করে একই সঙ্গে রক্ত চাপ কমায় : কলাতে উপস্থিত পটাসিয়াম‚ ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম ব্লাড প্রেশার কম করে। এছাড়াও এতে পেক্টিন নামের একটা ফাইবার আছে যা কোলেস্টেরল কমায়।
১০) হাড় শক্ত করে : কলাতে প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া আছে যা শরীরকে ক্যালসিয়াম অ্যাবসর্ব করতে সাহায্য করে। এছাড়াও কলাতে উপস্থিত পটাসিয়াম শরীর থেকে ক্যালসিয়াম বেরিয়ে যেতে দেয় না।
১১) সহজেই হজম করতে সাহায্য করে : কলাতে Fructooligosaccharide আছে যা পেটে ভালো ব্যাকটেরিয়া উৎপাদন করে। এর ফলে হজম শক্তি বাড়ে।
- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/122673/index.html#sthash.pXoZp5vh.dpuf

ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি: সঙ্গীতশিল্পী শম্পাসহ আটক ৩০

নিউজ ডেস্ক: ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি ও প্রতারণার দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে শম্পা জামান (৪৬) নামে এক বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পীসহ ৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। গত এক সপ্তাহে নিউইয়র্কের বিভিন্ন স্থান থেকে পেশাদার প্রতারক চক্রটিকে গ্রেফতার করা হয়।
স্থানীয় সময় ৯ মার্চ বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি রিচার্ড এ ব্রাউন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতারক চক্রকে গ্রেফতারের কথা জানান।
সঙ্গীত শিল্পী শম্পা জামানের বাসা কুইন্সের জ্যামাইকায়। নিজের কোনো মৌলিক গান না থাকলেও গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তিনি সঙ্গীত পরিবেশন করে আসছিলেন।
ব্যক্তি-বিশেষের অনুরোধে বিভিন্ন মঞ্চে গান গাইলেও ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি রিচার্ড ব্রাউন শম্পা জামানকে জনপ্রিয় বাঙালি শিল্পী হিসাবে উপস্থাপন করেছে। কথিত সঙ্গীতশিল্পী পরিচয়ের আড়ালে মূলতঃ তিনি ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিসের একটি সূত্র জানায়, প্রতারক চক্র বিভিন্ন ব্যক্তির তথ্য চুরি করে ক্রেডিট কার্ড উৎপাদন করতো। এরপর বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং মলে সেসব কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করতো। আর এই কেনাকাটার মূল কাজটি করতেন কথিত সঙ্গীতশিল্পী শম্পা জামান। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দীর্ঘদিন থেকে এই চক্রটিকে অনুসরণ করছিল। হাতে-নাতে গ্রেফতারের পর তাদের দখল থেকে ক্রেডিট কার্ড তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে।
গ্রেফতারকৃত শম্পা জামান উৎপাদিত ক্রেডিট কার্ড দিয়ে বেশিরভাগ সময় বারবারি, শ্যানেল, ব্লুমিংডেলস, নর্ডস্ট্রম, অ্যাপল, হোম ডিপো, রেস্টুরেন্ট ডিপোসহ বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন ব্র্যান্ড স্টোর ও শপিং মলে কেনাকাটা করতেন। নামী-দামী পণ্যের পাশাপাশি তিনি গিফট কার্ড কিনতেন। আর সবকিছুই কিনতেন ‘বস’ মোহাম্মদ রানার নির্দেশনায়। পুলিশ বিভিন্ন সময় পিছু নিয়ে ও ওঁৎ পেতে থেকে শম্পা জামান ও তার বস রানাসহ ৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে।
- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/122634/index.html#sthash.yJa8eea1.dpuf

বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের হারিকেন এর প্রচলন

ঘাটাইল টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ 
একসময় হারিকেন দেখতে যেতে হবে যাদুঘরে। প্রযুক্তির আধুনিকতা আর উন্নত জীবন-যাপন প্রনালীর কারনে দিন দিনই মানুষের মাঝে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যার ফলে এক সময়ের অন্ধকার দূর করার একমাত্র অবলম্ভন হারিকেন বিলুপ্তির পথে।
গ্রামীণ জনপদের মানুষের কাছে একসময় হারিকেন ই ছিলো একমাত্র আলোর উৎস। সন্ধ্যা হলে হারিকেন নিয়ে পড়তে বসতো গ্রামীণ জনপদের শিশুরা।বাসগৃহের আলোর সন্ধান,বাজারের দোকানদারী এমন কি রাতে চলাফেরা করার জন্য হারিকেন ছিলো গ্রামের মানুষের কাছে একমাত্র অবলম্ভন।
দিন দিনই প্রযুক্তি মানুষকে উন্নত করছে যার ধরুন হারিকেন ছেড়ে মানুষ এখন বিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছে।তাপ বিদ্যুত,জল বিদ্যুত, সৌর বিদ্যুৎ সহ জ্বালানী খাতে ব্যাপক উন্নয়নে ঐতিহ্যবাহী হারিকেন বিলুপ্তির পথে।
এছাড়া প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুতকে সংগ্রহ করার ও পন্থা আবিস্কার করেছে বিজ্ঞানীরা। চার্জ লাইট,সৌর বিদ্যুত সহ বেশ কিছু আলোর যোগান থাকায় এখন আর কেউ ই ঝুঁকছেন না হারিকেনের দিকে।
প্রবীণদের মতামত এক সময় হারিকেন দেখতে যেতে হবে জাদুঘরে।নতুন প্রজন্ম হয়তো জানবে ও না হারিকেনের ইতিহাস!চায়না, জাপান সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ খুব দ্রুত ই চার্জ সংরক্ষনকারী আলোর প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছে।এক সময় হয়তো চিরতরে বিলুপ্ত হবে হারিকেন।
হারিকেন নিয়ে তাই ছন্দের সুরে বলতে হয়, “যখন তোমার কেউ ছিলো না-তখন ছিলাম আমি, এখন তোমার সব হয়েছে-পর হয়েছি আমি!”