বুধবার, ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০১৬

ঘাটাইলে সড়ক কেটে জমিতে পরিণত করার অভিযোগ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের দত্তগ্রাম রাজা মিয়ার বাড়ি থেকে রাজু মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত ৫০০ফুট উন্নয়নকৃত গ্রামীণ সড়ক কেটে একটি মহল জমিতে পরিনত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। ইতোমধ্যে কুচক্রী মহলটি ওই সড়কের ৩০০ফুট কেটে ফেলেছে।
জানাগেছে, ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচির(কাবিখা) আওতায় ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ১০ মেট্রিকটন চালের বিপরীতে ওই সড়কটি সংস্কার করা হয়। সংস্কারের সময় কেউ সড়কটির জায়গা নিজেদের দাবি করেনি। অথচ পরে সড়কের কিছু অংশ নিজেদের দাবি করে একই ইউনিয়নের বেংরোয়া গ্রামের মো. আসাদুজ্জামান খানের স্ত্রী হাসমত আরা বেগম, শাহআলম সিদ্দিকীর ছেলে আসাদুল আলম সিদ্দিকী শ্যামল ও নৈয়ম উদ্দিন সিদ্দিকীর ছেলে আব্দুল বারি সিদ্দিকী বাদি হয়ে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ বিচারক বেগম আঞ্জুমান আরা জনস্বার্থ বিবেচনা ও অভিযোগ পক্ষ সঠিক কাগজপত্র উপস্থাপন না করায় মামলাটি খারিজ করে দেন। বিষয়টির এখানেই সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু সম্প্রতি স্থানীয় স্থানীয় প্রভাবশালী নুরজাহান, চন্দন, আসাদুল আলম সিদ্দিকী শ্যামল, সজিব, সংগ্রাম, আসাদুজ্জামান খান একজোট হয়ে জনস্বার্থ জলাঞ্জলী দিয়ে রাতের আঁধারে সড়কটির প্রায় ৩০০ ফুট কেটে জমিতে পরিনত করে। ফলে ওই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াতকারী সহ¯্রাধিক লোক ও এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে পড়ে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় তমিজ উদ্দিন সিদ্দিকীর ছেলে আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছমা আরা বেগম বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ঘাটাইল থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। সরকারি সড়ক কেটে জমিতে পরিনত করার অধিকার কারো নেই, এটি ফৌজদারী অপরাধ। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে মিমাংসা না হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সোমবার, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৬

ঘাটাইল বীরসিংহ নয়াপাড়া এখন সবজির গ্রাম

উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ০১ ফেব্রুয়ারি, আমাদের ঘাটাইল:
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পশ্চিমাঞ্চল লোকেরপাড়া ইউনিয়নের বীরসিংহ নয়াপাড়া গ্রাম এখন সবজির গ্রাম নামে খ্যাত। এই গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ তাদের জীবন যাত্রা উন্নয়নের জন্য সবজি চাষের উপর অনেকটা নির্ভরশীল। সবজির সিংহভাগ চাহিদা এ এলাকা থেকে মিটিয়ে থাকে।

সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় একটি সময় এই গ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে নদী। যেটা ডাইলা নদী নামে পরিচিত ছিল সর্বজন। কালের বিবর্তনে পার্শ্ববর্তী উপজেলার ভূয়াপুরে স্লুইজ গেট ও বাঁধ নির্মাণ করার ফলে এ নদী আস্তে আসেত ভরাট হয়ে যায়। ভরাট হলেও মাটির উর্বরতা হারায়নি। এই গ্রামে প্রায় চার শত লোকের বসবাস। তার মধ্যে দেড়শত জন সবজি চাষের উপর নির্ভরশীল। স্বাধীনতার পর থেকে  এই গ্রামে সবাই সবজি চাষ করে আসছে বলে এলাকাবাসী জানায়। এই গ্রামে বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ হয় যেমন-ফুলকপি, বাঁধাকপি, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, করলা, ধুন্দল, ডাটা, বেগুন সহ নানান জাতের দেশীয় সবজির সমাহার যদিও এ গ্রামে সবজি চাষের পাশাপাশি ধানেরও আবাদ পরিলক্ষিত  হয় ততটা বিস্তৃতি লাভ করতে পারেনি। বীরসিংহ নয়াপাড়া গ্রামে প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে সবজি চাষ হয়ে থাকে। সবজি চাষীরা প্রতিবছর এখান থেকে প্রায় বিঘাপ্রতি ৪০ হাজার টাকা আয় করে। এই গ্রাম থেকে সবজির আঞ্চলিক চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যেমন-ঢাকার বাইপাইল, কাওরানবাজার, ভূয়াপুর, শিয়ালকোল, ক্যান্টনমেন্টে সবজি রপ্তানি করে থাকে। সবজি চাষী মোঃ সুমন মিয়া জানায় আমাদের বাপ চাচা একটা সময় টাংগাইলের রসুলপুর বিক্রমহাটি থেকে বীজ এনে সবজি চাষ করত। কিন্তু এখন বর্তমানে পার্শ্ববর্তী থানা মধুপুর ও নিজস্ব উৎপাদনের বীজ দিয়ে সবজি চাষ করে থাকি।
ঐ গ্রামের আরেক কৃষক শাহ আলম জানান আমরা কীটনাশক ছাড়া জৈব সারের মাধ্যমে সবজি উৎপাদন করি এখানে  মানব দেহের ক্ষতি হবে এমন কোন কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। তাই দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে এই গ্রামের বাঁধাকপি, ফুলকপি কীটনাশক বিহীন হওয়ায় অনেক সুস্বাদু হিসেবে সমাদৃত। সবজি চাষে হামিদুর রহমান, সোহেল মিয়া ও শাহজাহান তারা সেচ মেশিনের মাধ্যমে সবজি ক্ষেতের পানির চাহিদা মিটিয়ে থাকে। তারা প্রতি শতাংশ ২০ টাকা হারে পানি সেচ দিয়ে থাকে। গ্রামের সুমন মিয়া আরো জানান, যদি ঘাটাইল কৃষি কর্মকর্তা আমাদের প্রতিনিয়ত প্রশিক্ষণ দিতেন তাহলে আমরা সবজি চাষ করে আরো বেশি লাভ হতে পারতাম। তারা মাসে তিনবার আসার কথা থাকলেও সেখানে মাসে একদিন সেলিম মিয়ার বাড়িতে এসে দেখা করে চলে যায়।

এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল মতিন বিশ্বাস এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান আগে নিয়ম ছিল কৃষকের কাছে গিয়ে তার সমস্যা জেনে সঠিক উপায়ে সমাধান করা কিন্তু বর্তমানে আমরা নির্দিষ্ট একটি জায়গায় সপ্তাহে অন্তত তিনদিন গিয়ে কৃষকদের সমস্যা জেনে মাঠ পর্যায়ে সমাধান করে থাকি।    
  টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পশ্চিমাঞ্চল লোকেরপাড়া ইউনিয়নের বীরসিংহ নয়াপাড়া গ্রাম এখন সবজির গ্রাম নামে খ্যাত। এই গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ তাদের জীবন যাত্রা উন্নয়নের জন্য সবজি চাষের উপর অনেকটা নির্ভরশীল। সবজির সিংহভাগ চাহিদা এ এলাকা থেকে মিটিয়ে থাকে।

সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় একটি সময় এই গ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে নদী। যেটা ডাইলা নদী নামে পরিচিত ছিল সর্বজন। কালের বিবর্তনে পার্শ্ববর্তী উপজেলার ভূয়াপুরে স্লুইজ গেট ও বাঁধ নির্মাণ করার ফলে এ নদী আস্তে আসেত ভরাট হয়ে যায়। ভরাট হলেও মাটির উর্বরতা হারায়নি। এই গ্রামে প্রায় চার শত লোকের বসবাস। তার মধ্যে দেড়শত জন সবজি চাষের উপর নির্ভরশীল। স্বাধীনতার পর থেকে  এই গ্রামে সবাই সবজি চাষ করে আসছে বলে এলাকাবাসী জানায়।  এই গ্রামে বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ হয় যেমন-ফুলকপি, বাঁধাকপি, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, করলা, ধুন্দল, ডাটা, বেগুন সহ নানান জাতের দেশীয় সবজির সমাহার যদিও এ গ্রামে সবজি চাষের পাশাপাশি ধানেরও আবাদ পরিলক্ষিত  হয় ততটা বিস্তৃতি লাভ করতে পারেনি। বীরসিংহ নয়াপাড়া গ্রামে প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে সবজি চাষ হয়ে থাকে। সবজি চাষীরা প্রতিবছর এখান থেকে প্রায় বিঘাপ্রতি ৪০ হাজার টাকা আয় করে। এই গ্রাম থেকে সবজির আঞ্চলিক চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যেমন-ঢাকার বাইপাইল, কাওরানবাজার, ভূয়াপুর, শিয়ালকোল, ক্যান্টনমেন্টে সবজি রপ্তানি করে থাকে। সবজি চাষী মোঃ সুমন মিয়া জানায় আমাদের বাপ চাচা একটা সময় টাংগাইলের রসুলপুর বিক্রমহাটি থেকে বীজ এনে সবজি চাষ করত। কিন্তু এখন বর্তমানে পার্শ্ববর্তী থানা মধুপুর ও নিজস্ব উৎপাদনের বীজ দিয়ে সবজি চাষ করে থাকি। ঐ গ্রামের আরেক কৃষক শাহ আলম জানান আমরা কীটনাশক ছাড়া জৈব সারের মাধ্যমে সবজি উৎপাদন করি এখানে  মানব দেহের ক্ষতি হবে এমন কোন কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। তাই দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে এই গ্রামের বাঁধাকপি, ফুলকপি কীটনাশক বিহীন হওয়ায় অনেক সুস্বাদু হিসেবে সমাদৃত। সবজি চাষে হামিদুর রহমান, সোহেল মিয়া ও শাহজাহান তারা সেচ মেশিনের মাধ্যমে সবজি ক্ষেতের পানির চাহিদা মিটিয়ে থাকে। তারা প্রতি শতাংশ ২০ টাকা হারে পানি সেচ দিয়ে থাকে। গ্রামের সুমন মিয়া আরো জানান, যদি ঘাটাইল কৃষি কর্মকর্তা আমাদের প্রতিনিয়ত প্রশিক্ষণ দিতেন তাহলে আমরা সবজি চাষ করে আরো বেশি লাভ হতে পারতাম। তারা মাসে তিনবার আসার কথা থাকলেও সেখানে মাসে একদিন সেলিম মিয়ার বাড়িতে এসে দেখা করে চলে যায়।

এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল মতিন বিশ্বাস এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান আগে নিয়ম ছিল কৃষকের কাছে গিয়ে তার সমস্যা জেনে সঠিক উপায়ে সমাধান করা কিন্তু বর্তমানে আমরা নির্দিষ্ট একটি জায়গায় সপ্তাহে অন্তত তিনদিন গিয়ে কৃষকদের সমস্যা জেনে মাঠ পর্যায়ে সমাধান করে থাকি।
প্রকাশঃ ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ০১:৫৯:০০ অপরাহ্ন



রবিবার, জানুয়ারি ৩১, ২০১৬

ঘাটাইলে বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে ১ জনের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ৩১ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইল:
টাংঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে ছানা মিয়া (৫৫) নামে এক রাজ মিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে গতকাল শনিবার বিকেলে ছানা মিয়া অন্যান্য মিস্ত্রিদের সাথে নিয়ে খায়ের পাড়া বাজার জামে মসজিদের ছাদে রড বসানোর কাজ করছিলেন।
ছাদে রড বসানোর এক পর্যায়ে বিকেল ৪টার দিকে মাটি থেকে রড ছাদে তোলার সময় অসাবধানতা বশত  উপর দিয়ে যাওয়া পল্লী বিদ্যুতের লাইনের সাথে রডের ছোঁয়া লাগলে বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। এতে করে ছানা মিয়া বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে মারাত্বক আহত হয়।
পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাংঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবনতি দেখে ঢাকা মেডিক্যাল-এ প্রেরণ করে। পরে মির্জাপুর পর্যন্ত তাকে নেয়া হলে মৃত্যুবরণ করে।
আপডেটঃ ৩১ জানুয়ারী ২০১৬, ০৭:৫০ আপরাহ্ন

ঘাটাইলে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

খাদেমুল মামুন, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ৩১ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইল:
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রবিবার দুপুর ২টায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সিরাজুল হক ছানার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ এবং জেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মাইনুল ইসলাম।  মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সাবেক সংসদ সদস্য এবং জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মো. সাইদুর রহমান খান (মোহন)। 

প্রধান অতিথি বক্তব্যে মো. মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘এ সরকার ভোটবিহীন সরকার। তাদের কোন ভোটার ভোট দেয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপিকে নির্মূলের লক্ষে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।’

প্রধান বক্তা এমপি মোহন  বলেন, ‘এ সরকারের কথায় যা বলে কাজে তা নয়। এ দেশের মানুষ এ সরকারকে চাই না। তাই মধ্যবর্তী একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে সরকারকে আহ্বান জানান তিনি।’

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির বিশেষ সম্পাদক আ খ ম মাসুদুল হক মাসুদ, উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা শাহ আলম চৌধুরী, লোকেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান, সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. হায়দার আলী তালুকদার, ঘাটাইল সদর ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মো. ফিরোজ হোসেন খান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাসুদ খান তোতা, সাবেক সভাপতি কুরপান আলী, উপজেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ খান বাদল, ঘাটাইল পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি বেল্লাল হোসেন, পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র হাবিবুর রহমান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা শামছুল আলম লাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সভাপতি আবু হায়দার, সাবেক জিএস ছাইফুল ইসলাম লাল, বীরমুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম তালুকদার আনোয়ার প্রমুখ।

মতবিনিমিয় সভায় বক্তারা ঘাটাইল বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধের লক্ষ্যে মো. মাইনুল ইসলাম, সাবেক এমপি সাইদুর রহমান খান মোহন ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল হক ছানার নেতৃত্বে দলকে চাঙ্গা করতে সকল নেতাকর্মীরা একমত পোষণ করেন।
প্রকাশঃ ৩১ জানুয়ারী ২০১৬, ০৬:৩৩:০০ অপরাহ্ন

ঘাটাইলে ক্রিকেট প্রতিযোগিতা

উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ৩১ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইল:
রবিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বীরসিংহ নয়াপাড়া গ্রামে বীরসিংহ ক্রিটেক লীগ ৪৫ প্রতিযোগিতার উদ্দ্যোগে বিএল ভিক্টোরিয়া ও মাশরাফি ওয়ারিজ মাঝে আন্ত: ফাইনাল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বীরসিংহ ৪৫ ক্রিকেটলীগ আয়োজিত ক্রীড়া শিক্ষক আঃ মতিন মিয়ার সভাপতিত্বে বীরসিংহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফাইনাল প্রতিযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন- লোকেরপাড়া ইউনিয়ন আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবু, আঃ জলিল মাস্টার, আবু জাফর ইকবাল, দুই দলের অধিনায়ক শামীম আল মামুন, ওসমান গণি সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ ।

শেষে রানার্সআপ ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করা হয়।
প্রকাশঃ ৩১ জানুয়ারী ২০১৬, ০৪:০২:০০ অপরাহ্ন

ঘাটাইলের মেয়ে ফারজানা শারমিন মিতু, সাফ এশিয়া গেমস ২০১৬ তে অংশগ্রহণ করবে

মোঃ আরিফ খান, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ৩১ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইল:

ফেব্রুয়ারি তে ভারতে পর্দা উঠছে ১২ মত সাফ এশিয়া গেমস ২০১৬। বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবে মিতু।বর্তমানে সে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তে কর্মরত আছেন।ইতিমধ্যে জুডো, চাইনিজ মার্শাল অার্ট, উশু, বক্সিং কুস্তী তে নিজ বাহিনী ও বিভিন্ন দেশি ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করে নিজ যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছে। তার সফলতার ঝুলিতে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন পদক।১২ তম সাফ এশিয়ান গেমসে স্বর্নপদকের জন্য লরবে ঘাটাইলের মেয়ে মিতু।তার কিছু সফলতার গল্প শুনাবো আজ।
তার ডাকনাম মিতু কাগজে কলমে, ফারজানা শারমিন মিতু। ৩ নং জামুরিয়া ইউনিয়নের সাধুর পারা গলগন্ডা গ্রামের আনোয়ারা হোসেনের মেয়ে।ছোট বেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ ছিলো তার। ইস্কুল ও কলেজ জীবনে অংশগ্রহণ করেছে বিভিন্ন খেলায় ( দৌর, উচ্চলম্ফন, দীর্ঘলম্ফ, চাতকী নিক্ষেপ, খেলায় বরাবরি প্রথম স্থান অধিকার করতা।মধুপুর শহীদ স্মৃতি ইস্কুল এন্ড কলেজে দৌর ও চাতকি নিক্ষেপে প্রথম হয়েছিলো।
তার স্বপ্ন ছিলো যে কোন একটা বাহিনীতে চাকুরী করবে সে, সে আশা পুরন হয় তার ভাষ্যমতে ২০০৮ সালে সারি কাজী চাচার অনুপ্রেরণা আর সহযোগীতায় চাকুরী হয় আনসার ব্যাটেলিয়ানে ট্রেনিং শেষে ২০১০ সাল থেকে খেলাধুলার সাথে জরিত হয়,একি বছর জাতীয় জুডো প্রতিযোগিতায় ৬৩ কেজি ওজন শ্রেণীতে তৃতীয় স্থান অধিকার করে। তারপর থেকে শুরু হয় একের পর এক সাফল্য।২০১০ সালে চাইনিজ মার্টশাল আর্ট উশু, ৬৫ ওজন শ্রেণীতে স্বর্ণ পদক পায়। ২০১১ সালে স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবস, জুডো প্রতিযোগিতায় স্বর্ণ পদক লাভ করে। ২০১২ সালে উশু খেলাতে স্বর্ণ পদক।ওয়ালটন ৪ র্থ সিনিয়র কুস্তি প্রতিযোগিতা স্বর্ন পদক।২০১২ সালে আন্তর্জাতিক ইন্দো বাংলা কুস্তি প্রতিযোগিতা ভারতে ৬৭ কেজি ওজন শ্রেণীতে রৌপ পদক লাভ করে বাংলাদের পক্ষে।
২০১৩ সালে দেশে বিদেশ বাংলাদের পক্ষে বিশেষ অবদানের জন্য স্বীকৃতি স্বরুপ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে " প্রেসিডেন্ট আনসার সেবা পদক " লাভ করে।
২০১৩ সালে ৮ ম বাংলাদেশ গেমসে একক ভাবে তিনটি ইভেন্টে স্বর্ন পদক লাভ করে,৬৫ কেজি ওজন শ্রেণীতে উশু তে স্বর্নপদক, কুস্তিতে ৬৩ কেজি শ্রেণীতে স্বর্ন পদক বক্সিং ৬০ কেজি শ্রেণীতে স্বর্ন পদক।বাংলাদেশ প্রথম মহিলা বক্সিংএর সূচনা তেও ছিলো ঘাটাইলে মেয়ে মিতু।সাফল্য যখন হাতের মুঠায় তখনি ডাক আসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তে ২০১৪ সালে প্রথম মহিলা সৈনিক পদে যোগদান করে সৈয়দপুর ইএম সেন্টার এন্ড কলেজে ট্রেনিং শেষে পোস্টিং হয় ঘাটাইল সেনানিবাসে।সেনাবাহিনী তে যোগদানের পর ৫ ম মহিলা কুস্তি প্রতিযোগিতা আবারো স্বর্ন পদক লাভ করে শধু তাই নয় ১০১৪ সালে সার্ভিসেস কুস্তি প্রতিযোগিতা স্বর্ন পদক লাভ করে মিতু।
তার লক্ষ এখন বিভিন্ন অান্তর্জাতিক ইভেন্টে
সাফ গেমস কে সামনে রেখে ২০১৫ সালের ১৭ আগষ্ট থেকে বাংলাদেশ দলের সাথে কঠিন প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।৩ ফেব্রুয়ারি ভারতের সিলনের তারপর ১৫ /২১ তারিখ ব্যাংকক যাবে দলের সাথে।
অনলাইন দৈনিক আমাদের ঘাটাইল পরিবারের পক্ষ থেকে ফারজানা শারমিন মিতু আপার জন্য অনেক অনেক দো'আয়া ও শুভ কামনা রইলো।আমরা আশা করি ১২ তম সাফ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশর হয়ে স্বর্ন পদক অর্জন করবে ঘাটাইলে মেয়ে মিতু। তার ও তার পরিবারের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।

প্রকাশঃ ৩১ জানুয়ারী ২০১৬, ১২:৩৩:০০ অপরাহ্ন

ঘাটাইলে জাল দলিল চক্রের ২ সদস্যকে আটক

pageনিউজ ডেস্ক, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ৩১ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইল:
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জমির বিপুল পরিমান জাল দলিল, খতিয়ান, পরচা, জমি ক্রয়-বিক্রয়ের অন্যান্য নথি ও ম্যাজিস্ট্রেট, ভূমি অফিস, সরকারী বিভিন্ন কর্মকর্তার জাল কম্পিউটার সিলসহ দুইজনকে আটক করেছে র‌্যাব-১২।
৩১ জনুয়ারী রোববার ভোরে ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের হাতিমারা গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো ওই গ্রামের মৃত আইনউদ্দিনের ছেলে আকবর হোসেন (৪৫) ও মো: আব্দুর বারেকের ছেলে মো: রিপন মিয়া (১৬)।
টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানী (সিপিসি-৩) এর কোম্পানী কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী জানান, আটককৃতরা দির্ঘদিন ধরে ভূমি অফিস সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তফসিল অফিস, ভূমি অফিসের সমস্ত কাজ তাদের নিজের বাড়িতে করে আসছিলো। তারা জাল দলিল, নাম জাড়ি খতিয়ান, জমাবা খতিয়ান, পরচা সহ জমির অন্যান্য কাগজপত্র তৈরী করে তাতে ম্যাজিস্টেটের ভুয়া স্বাক্ষর ও সিল দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিক্তিতে তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান জাল দলিল, নাম জাড়ি খতিয়ান, জমাবা খতিয়ান সহ অন্যান্য খতিয়ানের খালি ফরম, জমির উপর আদালতের আদেশ কপি, উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেট, কানুনগো সহ বিভিন্ন কর্মকর্তার ভূয়া সিল উদ্ধার করা হয়। ভূমি সংশ্লিষ্ট এই কাজগুলোয় প্রাপ্ত অর্থ সরকারী কোষাগারে দেয়ার নিয়ম থাকলেও, আটককৃতরা নিজ বাড়িতে বসে এই কাজগুলো করে ফৌজদারি আইনে অপরাধ করেছে।
সূত্রঃ টাঙ্গাইল নিউজ বিডি
প্রকাশঃ ৩১ জানুয়ারী ২০১৬, ০১:৩৩:০০ অপরাহ্ন

শুক্রবার, জানুয়ারি ২৯, ২০১৬

ঘাটাইলে মিনহাজের মাদক ব্যবসার ট্রানজিট


আঃ রশিদ তালুকদার, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ২৯ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইলঃ
মাদক ধ্বংস করছে যুব সমাজ। মাদকের ছোবলে এলাকার উঠতি বয়সের তরুণরা জাড়িয়ে পড়ছে অসামাজিক কার্যকলাপ ও বিভিন্ন অপরাধে। টাঙ্গাইলে জীবন ধ্বংসকারী এ মাদক ব্যবসার প্রধান হোতা মিনহাজ উদ্দিন ওরফে মিনহাজ ট্রানজিট। মিনহাজ জেলার ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া গ্রামে বাস করছেন। কিন্তু সেখানে বসেই পুরো জেলার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।  জানা গেছে, দীর্ঘদিন ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান তালুকদারের ছেলে মো. মিনহাজ উদ্দিন (৩৮) মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। তার বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে ঘাটাইল ও ভূঞাপুর থানায় ৮টি মামলা রয়েছে। কিন্তু তিনি আদালত থেকে জামিন নিয়ে প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়েই তার অবৈধ হেরোইন ও ইয়াবার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে তিনি আন্তঃজেলা মাদক ব্যবসার ‘ট্রানজিট’ খেতাব অর্জন করেছেন বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, মিনহাজ মাদক ব্যবসা করে যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। মাদক সেবীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে এলাকায়। সেই সাথে বাড়ছে চুরি, ছিনতাই ও যৌন নির্যাতনসহ অনেক অপরাধের ঘটনা। অভিযোগ রয়েছে, গত ৪ বছরের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা মো. জয়নাল আবেদিন তালুকদারসহ কয়েক জনের ২৮টি গরু চুরি ও ৪টি দোকান চুরিসহ এলাকার কয়েকটি বাড়িতে চুরির ঘটনাও ঘটেছে। এর সাথে ট্রানজিট মিনহাজ ও তার সহযোগিরা জড়িত। 
এলাকার গণ্যমান্যরা মিনহাজকে মাদক ব্যবসায় বাধা দিলে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল আদালতে ১০৭ ধারার পৃথক ৩টি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন মিনহাজ। 
সূত্র বলছে, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুরসহ কয়েকটি জেলায় মিনহাজের মাদক ব্যবসার ট্রানজিট খেতাব ছড়িয়ে পড়েছে। 
এ বিষয়ে মিনহাজসহ মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে এলাকাবাসী বার বার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে প্রশাসন উল্লেখযোগ্য কোনো ব্যবস্থা নেয়নি মাদক ট্রানজিট চক্রের বিরুদ্ধে। 
সূত্র মতে, মিনহাজের ব্যবসায়ী সহযোগীরা হচ্ছেন- একই গ্রামের নুরু ভূইয়ার ছেলে স্বপন ভূইয়া (৩৪), নস্কর ভূইয়ার ছেলে মো. বাবু ভূইয়া (২৮), মিনহাজের ছোট ভাই মো. সুবাশ তালুকদার (৩৪)সহ আরও অনেকে। 
এলাকাবাসীর দাবি, সমাজ ও জাতিকে ধ্বংসের মুখ থেকে বাঁচাতে অবিলম্বে এ মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
উল্লেখ্য, ভ্রাম্যমাণ আদালত মিনহাজ উদ্দিন তালুকদারকে ২ বার ৬মাস করে কারাদণ্ড দেন। একই অপরাধে তার ছোট ভাই মো. সুবাশ তালুকদারকে ৬ মাস সাজা দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। কিন্তু তারা আপিল করে জামিনে এসে তারা মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
মাদক ব্যবসায়ী ট্রানজিট প্রধান মিনহাজ উদ্দিন বলেন, ‘আপনার কোন কথা থাকলে বলুন, আমি প্রশাসনকে টাকা দিয়ে থাকি। আপনিও নিবেন? সংবাদ প্রকাশের দরকার নেই।’
ঘাটাইল পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মিনহাজের গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় রয়েছি। 
প্রকাশঃ ২৯ জানুয়ারী ২০১৬, ০৬:২৩:০০ অপরাহ্ন

ঘাটাইলে ২৪ প্রহর ব্যাপি শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যষ্ণানুষ্ঠান শুরু

উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ২৯ জানুয়ারী, আমাদের ঘাটাইলঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় শুক্রবার সন্ধ্যায় অধিবাসের মধ্য দিয়ে ২৪ প্রহর ব্যাপি  শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যষ্ণানুষ্ঠান শুরু হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার পৌর এলাকার হিন্দু সম্প্রদায় আয়োজিত শান্তিনগর সার্বজনীন হরিমন্দির প্রাঙ্গনে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যষ্ণানুষ্ঠান উপলক্ষ্যে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ, তারকব্রহ্ম মহানাম যষ্ণানুষ্ঠান, অষ্টকালীণ লীলা কীর্ত্তন, নগর সংকীর্ত্তন, কুঞ্জ ভঙ্গ, দধি মঙ্গল মহন্ত বিধায় অনুষ্ঠিত হবে। দেশের খ্যাতিনামা দল মহানাম সুধা পরিবেশন করবেন খুলনার নিত্যানন্দ সম্প্রদায়, ফরিদপুরের প্রভুপ্রাত সম্প্রদায় মাদারিপুর মুক্তিলতা সম্প্রদায়, পিরোজপুর আদি ঠাকুর সম্প্রদায়, সীতক্ষীরা মামা ভাগ্নে সম্প্রদায়, ঘাটাইল হরিসভা সংঘ। লীলা কীর্ত্তন পরিবেশন করবেন ঢাকার শ্রী শ্রী প্রীতম মন্ডল, সাতক্ষীরার শ্রী ধর্মদাস এবং যশোরএর কৃষ্ণাপাল। অধিবাস অনুষ্ঠানে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ করিবেন অমূল্য চন্দ্র দেবনাথ।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ  হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ঘাটাইল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চন্দ্র দত্ত আমাদের সংবাদকর্মীকে জানান, প্রতিবছরের ন্যায় আমরা এবারও সমস্ত আয়োজন শেষ করেছি এবং প্রশাসনকে অবগত করেছি যাতে আমরা নির্বিঘেœ  সুশৃঙ্খলভাবে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারি।
ঘাটাইল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কামাল হোসেন বলেন, সনাতন ধর্মালম্বীরা যাতে নির্বিঘেœ তাদের কীর্ত্তনুষ্ঠান পালন করতে পারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সে বিষয়ে সদা প্রস্তুত থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।   

প্রকাশঃ ২৯ জানুয়ারী ২০১৬, ০১:৫২:০০ অপরাহ্ন

ঘাটাইল-ভূয়াপুর সড়কে ৫২ বাঁকে হাজারো গর্ত


মোঃ নজরুল ইসলাম, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল), ২৯ জানুয়ারি, আমাদের ঘাটাইল:

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর-ঘাটাইল সংযোগ সড়ক দৈঘ্য ১৩ কিলোমিটার বাঁক অর্ধশত হাজারো গর্ত। এটাই এখন বহু প্রতিক্ষিকত ভূঞাপুর-ঘাটাইল সংযোগ সড়কের বর্তমান অবস্থা। বাঁক থাকার কারনে পূর্ব থেকেই এ সড়কে যান চলাচল ছিল ঝুকিপূর্ন। বর্তমানে সড়কটির অর্ধশত বাঁকের মরণ ফাঁদের সাথে যোগ হয়েছে হাজারো গর্ত। দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কারের অভাবে সারা সড়ক জুড়েই সৃষ্টি হয়েছে খানা খন্দের। দেখা দিয়েছে বড় বড় গর্তের। এক সময়ের প্রতিক্ষিত এলাকাবাসীর সড়কটি এখন সাধারন মানুষের গলার কাটায় পরিনত হয়েছে।ভূঞাপুরের শিয়ালকোল থেকে ঘাটাইলের কলেজ মোড় পর্যন্ত ১৩ কিলোমিাটারের সড়কটি ঘাটাইল ও ভ’য়াপুর এই দুই উপজেলার চারটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষের যাতায়তের  অন্যতম  সড়ক এটি।  দুই উপজেলার মানুষসহ মধুপুর, জামালপুর ও ময়নসিংহ অঞ্চলের মানুষ স্বল্প সময়ে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে উত্তর বঙ্গের সাথে যাতায়তের জন্য অনেক সময় বেছে নেয় এই সড়কটি। এই সড়কে ছোট-বড় ৫২টি বাঁক থাকার পরেও প্রায় ৩৫ কিলোমিটার রাস্তা কমে যাওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতো বিভিন্ন ধরণের যানবাহন। কিন্তু বিগত ৪বছর ধরে ওই রাস্তাটির কোন প্রকার সংস্কার কাজ করেনি কর্তৃপক্ষ। যার ফলে সড়ক জুড়ে খানাখন্দের সৃষ্টিসহ তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্তের। সড়কটি হয়ে পড়েছে যান চলাচলের অনুপোযোগী।  নানা সময়ে এলকাবাসী  সড়কটির সংস্কার কাজের দাবী জানালেও কোন ফল হয়নি। এ রাস্তায় যাতায়াতকারী অনেক যাত্রীই সড়কটিকে আক্ষেপ করে  ৫২ বাঁকের হাজারো গর্তের সড়ক বলে।
ঘাটাইল উপজেলার চেংটা গ্রামের জাহাঙ্গীর তালুকদার বলেন,এই সড়কটিকে আর সড়ক না বলাই ভাল। এটি এখন ৫২ বাঁকের হাজারো গর্তের কষ্ট। আগে প্রতি সপ্তাহেই ছুটিতে বাড়ি আসতাম এখন রাস্তার বেহাল দশার কারণে প্রতি সপ্তাহে আসতে মন চায় না। এ সড়কে একদিন যাতায়ত করলে পরেরদিন রেস্ট নিতে হয়।
ভূঞাপুর উপজেলার পলিশা গ্রামের সিএনজি চালক মালেক বলেন, ঘাটাইল-ভূঞাপুর রোডের আগে ভাড়া ছিল বিশ টাকা আর এখন ভাড়া ৪০-৫০টাকা। তাইলে বুঝেন কেমন রাস্তা!
ঘাটাইল উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সামু বলেন, সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলীকে সমন্বয় কমিটির সভাসহ বিভিন্ন সময়ে এই সড়কটির সংস্কার ও বাঁক অপসারণ করে জনগণের ভোগান্তী লাগবের অনুরোধ করে আসলেও তিনি এবিষয়ে কোন প্রকার কর্ণপাত করেণ না। মূলত নি¤œ মানের উপকরণ দিয়ে কাজ করায় দ্রুত সড়কটি নষ্ট হয়ে গেছে এবং  তার স্বদিচ্ছার অভাবেই প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি এখন জনগণের গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে।

প্রকাশঃ ২৯ জানুয়ারী ২০১৬, ১০:৫২:০০ অপরাহ্ন